আজকেও রেহাই পেলেন না জ্যাকুলিন

দীর্ঘদিন ধরেই ২০০ কোটি টাকার আর্থিক তছরুপের মামলায় অভিযুক্ত বলিউডের সৌখিন অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। এমনকি পুলিশি নজরদারিতেও রয়েছেন তিনি। এ মামলার আসামি কনম্যান সুকেশ চন্দ্রশেখরের প্রেমের গল্প অনেকেরই জানা । মামলার পাশাপাশি এ সম্পর্কের কারণেও মাঝে মধ্যেই খবরের শিরোনামে উঠে আসে জ্যাকুলিন। আজ সোমবার ২২ সেপ্টেম্বর শীর্ষ আদালতের শুনানির অপেক্ষায় ছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু অজকেও অব্যাহতি মিলল না তার। জ্যাকলিনের চর্চিত প্রেমিক এই ২০০ কোটি টাকার প্রতারণা মামলায় বর্তমানে স‌ংশোধনাগারে রয়েছেন। এই ঘটনাতেই নাম জড়িয়েছিল জ্যাকলিনের। গত ৩ জুলাই দিল্লি হাই কোর্টের কাছে প্রথমে মামলা থেকে নিষ্পত্তি পাওয়ার আবেদন করেছিলেন অভিনেত্রী। সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছিলেন হাই কোর্ট। তার পরে দিল্লি হাইকোর্টকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেই আবেদনেরই শুনানি ছিল সোমবার। কিন্তু এ বারও অব্যাহতি পেলেন অভিনেত্রী। 

জানা গেছে, শীর্ষ আদালতের কাছে আবেদনে জ্যাকুলিন জানিয়েছিলেন, তিনি এই ঘটনায় কোনও ভাবেই অভিযুক্ত নন, বরং তার সঙ্গেই বার বার নাকি অন্যায়টা করেছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। সেই আবেদনে এও বলা হয়েছিল, ইডি (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট) নাকি নিজেই জানিয়েছে, তিহাড় জেলে সুকেশকে ফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হচ্ছে। প্রতারণা কাণ্ডে যে ফোন ব্যবহার করা হয়েছিল, সেগুলি এখনও সুকেশ ব্যবহার করছেন বলে আবেদনে জানান জ্যাকলিন। ইডির অভিযোগ ছিল, সুকেশের থেকে ৭ কোটি টাকার উপহার নিয়েছেন জ্যাকুলিন। এই ৭ কোটি টাকা নাকি ওই ২০০ কোটি টাকারই অংশ। জ্যাকুলিন দাবি করেছেন, সুকেশের অপরাধজগৎ সম্পর্কে নাকি তার কোনো ধারণাই ছিল না। 

সংশোধনাগারে থাকলেও, সেখান থেকে জ্যাকুলিনকে চিঠি লেখেন সুকেশ। সেই চিঠি সমাজমাধ্যমে তুলে ধরে তার সহকারী দল। এমনকি ‘প্রেমিকা’র জন্য নানা রকমের দামি উপহার তিনি এখনও পাঠান।