অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন।
তার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশের তিনটি রাজনৈতিক দলের চার নেতা। সফর নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তিনি অভিযোগ করেন, নিউইয়র্কে রাজনৈতিক নেতাদের ওপর আওয়ামী লীগের হামলা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হয়েও রাজনীতিবিদরা কেন নিরাপত্তা পেলেন না, এমন প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, রাজনীতিকরা কেনো নিরাপত্তা পেল না? কেনো স্বার্থপরের মতো তিনি ও তার সরকারি কর্মকর্তারা নিরাপত্তা নিয়ে বের হয়ে গেলেন?
আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাশেদ খান নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এমন কথা বলেন।
তিনি তার ফেসবুকে লেখেন, প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী! কিন্তু রাজনীতিকরা কেনো নিরাপত্তা পেল না? কেনো স্বার্থপরের মতো তিনি ও তার সরকারি কর্মকর্তারা নিরাপত্তা নিয়ে বের হয়ে গেলেন?
তিনি অভিযোগ করেন, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের গায়ে ডিম নিক্ষেপ করে অপদস্ত করা হয়েছে, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তাসনীম জারাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে!
তিনি আরও লিখেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে তুইতোকারি করা হয়েছে! উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে কৌশলে সেভ করেছে! বিএনপি ও এনসিপির নেতাকর্মীরা কি সংঘর্ষ এড়াতে দূরে অবস্থান করছিল? বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ৩ টা দলের প্রতিনিধিদের সরকার আমন্ত্রণ করল, আর চলে গেলেন। আপনারা বাকি দলগুলোকে দল মনে করেন না? সারাদিন মুখে ইনক্লুসিভ সমাজব্যবস্থার কথা বলে আপনারাই ডিসক্রিমিনেশন তৈরি করেন! এটা স্বার্থপর মার্কা রাজনীতি!
রাশেদ খান আরও দাবি করেন, তাই প্রধান উপদেষ্টাসহ সরকারি কর্মকর্তা, প্রতিটা দল ও তাদের প্রতিনিধিরা ‘ইয়া নাফসি’ করতে করতে বিদায় নিয়েছে! সবাই সবার স্বার্থ দেখেছে। ক্ষমতার স্বার্থে আওয়ামীলীগ ও তাদের দোসরদের ন্যূনতম স্পেস দেওয়ার পরিণতি সকলকে এভাবেই ভোগ করতে হবে।
তিনি আরও লেখেন, ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার আওয়ামী লীগ ও তার দোসরদের নির্মূল নয় বরং পুনর্বাসন করেছে। এর খেসারত শীঘ্রই দিতে হবে গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সকল মহলকে! আওয়ামীলীগ কতোটা হিংস্র, এটা আপনাদের কল্পনার বাইরে!