নারায়ণগঞ্জে কথিত যুবদল নেতাসহ ২৪ আটক, ৫ জনের সাজা

নারায়ণগঞ্জে যৌথ অভিযান চালিয়ে কথিত যুবদল নেতা আলম চানসহ ২৪ মাদকসেবীকে আটক করেছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী। এদের মধ্যে পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া তাদের কাছে মাদক, মাদক সেবনের সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

বুধবার (২৪ সেপ্টম্বর) রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট টিএম রাহসিন কবিরের নেতৃত্বে শহরের জিমখানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিপুল সংখ্যাক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ জানায়,আটক আলম চানের বসতঘর তল্লাশি করে দেড় কেজি গাঁজা, ২৫০ মিলি বিদেশি মদ, তিনটি বড় ছোরা, একটি করে স্টিলের চাপাতি, টেটা ও দুটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়।

আটক আলম চান শহর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহম্মেদের অনুগামী। তিনি নিজেকে যুবদল নেতা পরিচয় দিতেন। তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে ১০টি মামলা রয়েছে। নতুন করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। 

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- মো. ফয়সাল (২১), রিফাত (২০), জুবায়ের ভূঁইয়া রানা (৩৬), মো. মোস্তফা হোসেন (২৬) ও অভিনন্দী (৩০)।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট টিএম রাহসিন কবির জানান, জিমখানা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আলম চান ও তার সহযোগীরা মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২৪ জনকে আটকের পর যাচাই বাছাই শেষে ১৯ জনকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয় এবং পাঁচ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, মাদকসেবীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জেলা কিশোর গ্যাং, হত্যা, চুরি ছিনতাই বেড়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে জেলা পুলিশ। অভিযান অব্যাহত থাকবে।