জামায়াতে ইসলামী

নির্বাচনে প্রতিবেশী দেশের হস্তক্ষেপ বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ

নির্বাচনে প্রতিবেশী দেশের হস্তক্ষেপ বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে চীনা প্রতিনিধি দলকে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, তবে সব দলের ঐকবদ্ধ চেষ্টার মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।

আজ বৃহস্পতিবার মগবাজারে দলীয় কার্যালয়ে ঢাকা সফররত চীনা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

এর আগে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন চীনের ফরেন অ্যাফেয়ার্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট ঝো পিংজিয়ানসহ উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল।

সংবাদ সম্মেলনে গোলাম পরওয়ার বলেন, বৈঠকে অভ্যুত্থানের এক বছর পেরিয়ে গেলেও দেশকে নিয়ে আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে।’- এমন অভিযোগ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সেই ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দেশকে এগিয়ে নিতে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, ‎বাংলাদেশ-চীন ঘনিষ্ঠ ও প্রতিবেশী সুলভ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই। দু’দেশের সম্পর্ক আরো কিভাবে গভীর করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় বিগত সরকারের জুলুম নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেন জামায়াত আমির। অভ্যুত্থানের এক বছর পেরিয়ে গেলেও দেশকে নিয়ে আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে। সেই ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দেশকে এগিয়ে নিতে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন শফিকুর রহমান।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গ্লোবাল নিরাপত্তা নিশ্চিতে চীন যেসব কাজ করছে, আজ সেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের দলের প্রস্তুতি তাদের অবহিত করা হয়েছে। জামায়াত নির্বাচনমুখী দল, তাই নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অপরদিকে ঝো পিংজিয়ান বলেন, ‎চীন-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘ সময়ের। দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে কাজ অব্যাহত আছে। এ সময় বাংলাদেশের সব পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদার ও গভীর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারি মুহাম্মদ আতাউর রহমান সরকার।