মাদকদাতাদের শাস্তি ও যুবসমাজের সুরক্ষা দাবি কসবা জামায়াত নেতাদের

কসবা–আখাউড়ার তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া এবং জনপদকে সন্ত্রাসপ্রবণ অঞ্চলে পরিণত করার অভিযোগে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার।

আজ ‍শুক্রবার সকাল ৯টায় কসবা উপজেলা ও পৌরসভা জামায়াতের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলের পর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই দাবি জানান। 

সমাবেশে তিনি বলেন, ‘কসবা- আখাউড়ার যুব সমাজকে ধ্বংস করতে তাদের হাতে যারা মাদক তুলে দিয়েছে, এ জনপদকে যারা সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত করেছে তাদেরকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিতে হবে।’

অনুষ্ঠানটি কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে শুরু হয়ে পুরাতন বাজার ও নতুন বাজার সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ইসলামী ব্যাংকের সামনে সমাবেশে মিলিত হয়। 

মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন—উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ (সভাপতি), নায়েবে আমীর পীরজাদা শিবলী নোমানী (সঞ্চালক) প্রমুখ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কসবা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী ইয়াকুব আলী। বক্তৃতা করেন পৌরসভা জামায়াতের আমীর হারুন অর রশিদ, কসবা উপজেলা সেক্রেটারি গোলাম সারওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি এস এম আজাদ মানিক, পৌরসভার সহকারী সেক্রেটারি নুর মাজিদুল হক, কসবা উপজেলা শিবির সভাপতি সাইফুল্লাহ আল আরিফ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আতাউর রহমান সরকার সমাবেশে আগামী নির্বাচন ও শ্রমিক আইনের প্রসঙ্গেও কথা বলেন এবং উল্লেখ করেন, ‘জুলাই সনদকে আইনগত মর্যাদা প্রদান,পিআর পদ্ধতি চালু হলে দেশে নির্বাচনের নামে প্রহসন বন্ধ হবে এবং এদেশের মানুষের অধিকার নিশ্চিত হবে ইনশাআল্লাহ।’

প্রতিবেশী ও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে মিছিলটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।