৮৪/০ পাকিস্তান চায়নাম্যানের ভয়ে ১৪৬ রানেই অলআউট

এশিয়াকাপের ৪১ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল। দুবাইতে ফাইনালে টস জিতে বোলিং নেন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। টস হেরে ব্যাট করতে নামলেও শুরুটা ভালো করে পাকিস্তান। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে কোন উইকেট হারায়নি, উদ্বোধনী জুটিতে ওঠে ৮৪ রান। তবে পাকিস্তান শেষ ৯ উইকেট হারিয়েছে মাত্র ৩৩ রানে।

০, ৮, ১, ৬, ০, ০, ৬, ১- পাকিস্তানের শেষ আট ব্যাটসম্যানের কেউই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি! পাকিস্তান ১৯.১ ওভারে ১৪৬ রানে অলআউট হয়। কুলদীপ যাদব ৩০ রানে নেন ৪ উইকেট।

হার্দিক পান্ডিয়া একাদশে নেই। ফলে ফাইনালের শুরুতে বোলিংয়ে আসেন আরেক পেস বোলিং অলরাউন্ডার শিবম দুবে। ভারত-পাকিস্তানের আগের দুই ম্যাচের মতো আজ ফাইনালেও বুমরার ওপর চড়াও হন পাকিস্তানি ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। তার করা ইনিংসের চতুর্থ ওভারে একটি করে চার ও ছক্কা মারেন।

পাকিস্তান ৭ ওভারে দলীয় ৫০ পেরোয়। এশিয়া কাপে নিজের দ্বিতীয় ও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে পঞ্চম ফিফটি করেন সাহিবজাদা ফারহান ৩৫ বলে। বরুন চক্রবর্তী ভারতকে প্রথম উইকেট এনে দেন দশম ওভারের চতুর্থ বলে। ফারহান ৩৮ বলে ৫৭ করে ফেরেন। তার ইনিংসে ছিল ৫ চার ও ৩ ছক্কা।

পাকিস্তান ১০০ পেরোয়া ১২তম ওভারে। তবে এরপরই ম্যাচে ফেরে ভারত। ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েও বেশি এগুতে পারেননি সাইম আইয়ুব। কুলদীপের বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে বুমরার হাতে ধরা পড়লেন তিনি। ১১ বলে করেন ১৪ রান।

পরের ওভারেই ফেরেন মোহাম্মদ হারিস (০)। দলীয় ১২৬ রানে ফেরেন ফখর জামান। তিনি ২টি করে চার ও ছক্কায় ৩৫ বলে করেন ৪৬ রান। ফখরকেও ফেরান বরুন। ফখর ফেরার পর পাকিস্তানের ব্যাটিং আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। একে একে আউট হয়েছেন হুসেইন তালাত (১), অধিনায়ক সালমান আগা (৮), শাহিন আফ্রিদি (০), ফাহিম আশরাফ (০)।

১১৩/১ থেকে পাকিস্তানের স্কোর দাঁড়ায় ১৩৪/৮! ২১ রানের মধ্যে তারা হারায় ৭ উইকেট। শেষে হারিস রউফের ৬ রানে পাকিস্তান ৫ বল বাকি থাকতে অলআউট হয় ১৪৬ রানে। বরুন, অক্ষর প্যাটেল ও জাসপ্রিত বুমরা নেন ২টি করে উইকেট।