টেলিনর গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বেনেডিক্টে শিলব্রেড ফাসমার প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফর করছেন। তার এই সফরকে বাংলাদেশ ও এ দেশের মানুষের প্রতি টেলিনর গ্রুপের আন্তরিক প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশ সফরে এসেই তিনি সরাসরি বাজারে গিয়ে পরিবেশক, খুচরা বিক্রেতা ও গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ ও আশা-আকাঙ্ক্ষা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। গ্রাহকদের চাহিদা বোঝাই টেলিনরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য-এ সফর সে কথাই মনে করিয়ে দিয়েছে।
বেনেডিক্টে শিলব্রেড ফাসমার বলেন, টেলিনরের সবচেয়ে গতিশীল বাজারগুলোর একটি বাংলাদেশ। এখানে এসে আমার প্রথম ও প্রধান গুরুত্ব ছিল তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা, যাদের আমরা প্রতিদিন সেবা দিয়ে থাকি। গ্রাহক, সহকর্মী ও অংশীদারদের সঙ্গে কথা বলে আমি উপলব্ধি করেছি-কানেক্টিভিটি কীভাবে গোটা সমাজে সম্ভাবনার নতুন দোর খুলে দিচ্ছে। বাংলাদেশের উদ্যম, উদ্ভাবনী শক্তি ও সম্ভাবনা আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।
গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান বলেন, গ্রুপ সিইও হিসেবে বেনেডিক্টের প্রথম বাংলাদেশ সফরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। গ্রাহক ও কর্মীদের সঙ্গে তার সরাসরি সংযোগ আমাদের ব্যবসার মূল বিষয়টিই ফুটিয়ে তুলেছে-সবার আগে মানুষ। ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের সঙ্গে তার আলোচনা এবং টিমকে দেওয়া অনুপ্রেরণা বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় দায়িত্ব ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার সঙ্গে নেতৃত্ব দেওয়ার আমাদের সংকল্পকে আরও শক্তিশালী করেছে।
বাংলাদেশ সফরকালে বেনেডিক্টে ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের নেতা ও গ্রামীণফোনের এন্টারপ্রাইজ গ্রাহকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রগতিতে টেলিনরের ভূমিকা ও প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় তিনি গ্রামীণফোন টিমের সঙ্গেও সময় কাটান এবং অফিসে ঘুরে ঘুরে কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। পরে এক টাউনহল বক্তৃতায় তিনি টেলিনর গ্রুপের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে গ্রামীণফোনের ভূমিকা নিয়ে আলোকপাত করেন।