“আগে নির্বাচনের ফিক্সিং বন্ধ করুন, পরে ক্রিকেটের ফিক্সিং বন্ধ করার চিন্তা করুন।”
মংগলবার সকালে মিরপুরে বিসিবি কার্যালয়ে পরিচালক পদে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর একথা বলেছিলেন তামিম ইকবাল। তিনি কারো নাম উল্লেখ না করলেও ইংগিতটা ছিল ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের প্রতি।
এই অভিযোগের জবাব দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে তিনি বলেছেন, "যারা নিজেদের স্বার্থে অনেক পক্ষের দুয়ারে যায়, সমঝোতা ভঙ্গ করে তারাই বিসিবি নির্বাচনের আসল ফিক্সার।"
তিনি বলেন, "ফিক্সিংটা তামিম ভাইরাই করার চেষ্টা করেছেন, করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিএনপির সভাপতি, সেক্রেটারিদের পক্ষ থেকে কল দিয়ে কাউন্সিলারদের, বিসিবিকেও ধমক দেওয়া হয়েছে। অনেক কিছু করা হয়েছে।"
আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, "এমনকি বিরাট কোহলিট কাছে বিসিবি নিয়ে নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ গেছে। কোহলি সেটা গম্ভীরসহ অন্যদের সঙ্গেও শেয়ার করেছে। এমন অভিযোগ দেওয়া বা ছড়ানো উচিত নয়, যা দেশের জন্য লজ্জাজনক হয়।"
"কিছু কল রেকর্ড, এভিডেন্স আছে। যারা প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের হুমকি দিচ্ছে, ৬ মাসের মধ্যে ক্ষমতায় আসলে (তাদের) দেখে নেবে। মানে ইঙ্গিতটা হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার পরে আপনাকে দেখে নিব", জানান তিনি।
১৫ ক্লাবের বিষয় নিয়ে আাদালতে রিট করা প্রসংগে আসিফ মাহমুদ বলেন, "যদি ভোট কারচুপির জন্য অনিয়মতান্ত্রিকভাবে ক্লাব নিয়ে এসে ভোট দখল করেন বা বাকিদের সুযোগ সীমিত করে দেন, তাহলে যে কেউ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। ফারুক আহমেদ তা-ই করেছেন এবং সেই রায় পেয়েছেন। যদিও এটি চূড়ান্ত রায় নয়।"
"একটি রাজনৈতিক দলের সন্তানদের জায়গা করে দিতে তামিমকে সরানোর চেষ্টা করেছে কিছু ক্রিকেট সংগঠক। সমস্যার সূত্রপাত সেখান থেকেই। বিভাজন তৈরি হয়েছে, বাদানুবাদ হয়েছে, উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত মেকানিজমটা কাজ করেনি", মন্তব্য করেন ক্রীড়া উপদেষ্টা।
৬ অক্টোবর বিসিবি নির্বাচন ভণ্ডুল করতে একটি পক্ষ শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করবে বলে আশঙ্কা করছেন আসিফ মাহমুদ। বিসিবি নির্বাচন নিয়ে যেকোনো পক্ষের সঙ্গে বসতে তিনি প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।