ফের প্রশংসা কুড়াচ্ছেন দীপা খন্দকার

জাত অভিনেত্রী হিসেবে দেশের নাট্যাঙ্গনের দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী দীপা খন্দকার নিজেকে প্রমাণ করেছেন বহু আগেই। বিশেষ করে অভিনয় জীবনের শুরুতে তিনি এমন এমন গুণী নির্মাতার জীবন ঘনিষ্ঠ গল্পে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছেন যে, সেসব নাটকে অভিনয় করেই নিজেকে নিয়ে গেছেন অন্য এক উচ্চতায়। তার সময়কার বেশিরভাগ অভিনেত্রীরাই অভিনয়ে অনিয়মিত। একমাত্র দীপা খন্দকারই অভিনয় জীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত কোনোরকম বিরতি ছাড়া নিয়মিত আলোচনায় থেকেই একের পর এক নাটকে, বিজ্ঞাপনে এবং সিনেমাতে অভিনয় করে যাচ্ছেন।

দীপা অভিনীত সর্বশেষ আলোচিত নাটক ছিল কেএম সোহাগ রানা পরিচালিত ‘অনুতপ্ত’। পারিবারিক এই নাটকটিও দর্শকের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। এরই মধ্যে গত ২৯ সেপ্টেম্বর এনটিভিতে প্রচারের পর তাদের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পেল দীপা খন্দকার ও জাহিদ হোসেন শোভন অভিনীত নাটক ‘শেষের গল্প’। নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন মুরাদ পারভেজ। নাটকটি এক বছরেরও বেশি আগে শ্রীমঙ্গলে নির্মিত হয়েছিল। নাটকটি প্রচারের পর এর বিশেষত দীপার অভিনয়ের নাটকীয় কিছু দৃশ্য ফেসবুকে প্রকাশের পর সেসব সিরিয়াস দৃশ্য পুরোপুরি দেখতে গিয়ে অনেক দর্শক পুরো নাটকটি দেখছেন। নাটকের গল্প, নাটকের নির্মাণ, লোকেশন এবং বিশেষত নাটকে একজন একা মায়ের চরিত্রে দীপা খন্দকারের অনবদ্য অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা করছেন সবাই।

এনটিভির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এই নাটকের মন্তব্যের ঘরে গেলে কিংবা ফেসবুকেও প্রকাশিত বিভিন্ন দৃশ্যের মন্তব্যের ঘরে গেলে শুধু দীপারই অভিনয়ের প্রশংসা দেখা যাচ্ছে। বহুদিন পর দীপার অভিনয় নিয়ে চারিদিকে বেশ আলোচনা হচ্ছে। বলা যেতে পারে নতুন করে এক অন্যরকম উচ্চতায় চলে এলেন দীপা খন্দকার। শুধু দর্শকই নয় তার সহশিল্পীরাও এমন গল্পের নাটকের এবং দীপার অভিনয়ের প্রশংসা করছেন। দীপা এরই মধ্যে এই ধরনের গল্পের নাটকে অভিনয়ের জন্য আরও প্রস্তাব পেয়েছেন।

দীপা খন্দকার বলেন, ‘বিশেষত এনটিভি থেকে আমাকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছে এবং এই ঘরানার গল্পের নাটকে আরও অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। আমি ভাবতেও পারিনি নাটকটিতে অভিনয়ের জন্য এত সাড়া পাব। দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য মানুষের সাড়া পাচ্ছি আমি। সত্যি বলতে, আমি যে চরিত্রটিতে অভিনয় করেছি সেই চরিত্রটি আসলে অনেক মায়েরই জীবনের গল্প। কোনো কোনো মা সন্তানের জন্য জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত নিজের সুখকে বিসর্জন দিয়ে একাই কাটিয়ে দেয়। কিন্তু মায়েরও যে মন আছে সেটা সন্তানরা বুঝতে চায় না। ধন্যবাদ মুরাদ পারভেজকে, আমাকে এই নাটকে কাজ করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।’