শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিজ্ঞানভিত্তিক করে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছে। শিক্ষক নিয়োগ, পাঠ্যক্রম সংস্কার, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উন্নয়নসহ শিক্ষা খাতের প্রতিটি স্তরে ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম চলছে।
গতকাল রবিবার বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৫ উপলক্ষে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ২০২৫ সালের জন্য মনোনীত গুণী ১২ জন শিক্ষককে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এবারের বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য ‘শিক্ষকতা পেশা : মিলিত প্রচেষ্টার দীপ্তি।’
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, নির্ভুল ও মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং এনসিটিবির বিধিমালা প্রণয়নের কাজ চলমান। ইউজিসির কার্যক্রমকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে অংশীজনের সঙ্গে পরামর্শ ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে।
বিভিন্ন শিক্ষা কমিশনের সুপারিশ, শ্বেতপত্র ও টাস্কফোর্স রিপোর্ট পর্যালোচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।