তামিমের প্রভাব: ৩৪ জন ক্লাব কাউন্সিলরই ভোট দেননি, ফারুক পেয়েছেন সর্বোচ্চ ৪২

তামিম ইকবালসহ কয়েকজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে যাওয়ার ঘটনার প্রভাব পড়েছে বিসিবি নির্বাচনে। ১৫৬ জন কাউন্সিলের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১১৫ জন। এর মধ্যে ক্লাব ক্যাটাগরিতে ৭৬ কাউন্সিলরের ৩৪ জনই ভোট দেননি। তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, বিদেশে থাকায় তিনি ই-ভোটের জন্য ব্যালট নিয়েছিলেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত ভোট দেননি। 

ক্লাব ক্যাটাগরিতে ৪২ ভোটের মধ্যে সবগুলোই পেয়ে পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন ফারুক আহমেদ, ইশতিয়াক সাদেক, শানিয়ান তানিম। ৪১ ভোট পেয়েছেন আমজাদ হোসেন, মোখছেদুল কামাল ও মেহরাব আলম চৌধুরী। ৪০ ভোট পেয়েছেন আদনান রহমান দীপন ও ফায়াজুর রহমান। বিদায়ী বোর্ডের পরিচালক মনজুর আলম পেয়েছেন ৩৯ ভোট, নাজমুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৭ ভোট। সবচেয়ে কম ৩৪ ভোট পেয়েছে আদালতের নির্দেশে কাউন্সিলরশিপ ফিরে পাওয়া ১৫ ক্লাবের একটির ইফতেখার রহমান মিঠু, যিনি আগের বোর্ডের পরিচালক ছিলেন। 

মজার ব্যাপার হলো- নির্বাচন থেকে দুদিন আগে নিজেকে সরিয়ে নেয়া লুৎফর রহমান বাদল ও মেজর ইমরোজ (অব.) দুটি করে ভোট পেয়েছেন। এছাড়া ১২ ভোট পেয়েছেন আহসানুর রহমান মল্লিক রনি, রাকিব উদ্দিন ৭ এবং ফয়জুর রহমান ভুইয়া পেয়েছেন ২ ভোট। 
ক্যাটাগরি ১ এর অধীন ঢাকা বিভাগ ও জেলায় ভোটার ছিলেন ১৭ জন। আমিনুল ইসলাম বুলবুল ১৫ এবং নাজমুল আবেদীন ফাহিম পেয়েছেন ১২। 

রাজশাহী বিভাগে ৯ ভোটের মধ্যে মুখলেছুর রহমান ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। শামস মতিন কোনো ভোট পাননি। হাসিবুল আলম নির্বাচন থেকে সরে দাড়িয়েছিলেন।

রংপুর বিভাগ ও জেলার ৯ ভোটের ৮টি পেয়ে পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন রংপুর বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার হাসানুজ্জমান। 
আর ক্যাটাগরি ৩-এ ৪৫ কাউন্সিলের মধ্যে ৪৩ জন ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে ৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট। প্রতিদ্বন্দ্বী দেবব্রত পাল পেয়েছেন ৭ ভোট।