কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় আহত হওয়ার ১৪ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুজন (২২) নামের এক যুবক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৬ অক্টোবর) রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। সুজন উপজেলার মালাপাড়া ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের বাসিন্দা।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে উপজেলার অলুয়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার সামনে কিশোর গ্যাংয়ের দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে সুজনসহ সাতজন আহত হন।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে সুজনের অবস্থার অবনতি হলে কর্মরত চিকিৎক তাকে ঢাকা মেডিক্যালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে ১৪ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মনোহরপুর ও অলুয়া এলাকার কয়েকজন কিশোরের মধ্যে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কিছুদিন আগে কথাকাটাকাটির জেরে ওই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। ওইদিন বিকেলে মনোহরপুর এলাকার কয়েকজন কিশোর অলুয়া মাদরাসার সামনে এসে স্থানীয় কিশোরদের ওপর হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হন সুজনসহ বেশ কয়েক জন।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরই আহতদের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে আসে মনোহরপুর গ্রামে। নিহত সুজনের পরিবার হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে।