সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় টাইফয়েড টিকা ক্যাম্পেইনে খুলনা সিটি করপোরেশনসহ জেলায় ৬ লাখ ৩ হাজার ৩৯৫জন শিশুকে টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১২ অক্টোবর সারাদেশের মতো খুলনায় এ কর্মসূচি শুরু হবে। এরমধ্যে জেলার ৯টি উপজেলায় ৪ লাখ ৩১ হাজার ২৫ জন ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ১ লাখ ৭২ হাজার ৩৭০ জন শিশুকে এ টিকা দেওয়া হবে।
বুধবার (৮ অক্টোবর) পৃথক সংবাদ সম্মেলনে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ফিরোজ সরকার ও সিভিল সার্জন ডা. মাহফুজা খাতুন এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, টাইফয়েটের টিকা নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত। প্রতিটি শিশুর টিকা নিশ্চিত করতে হবে। তবে শারীরিক অসুস্থতা, খালি পেটে টিকা প্রদান থেকে বিরত থাকতে হবে। ব্যাকটেরিয়াবাহী টাইফয়েট জ্বর শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। দূষিত খাবার, দূষিত পানি, স্যানিটেশন ব্যবস্থার অভাব এ রোগের অন্যতম উৎস। একারণে জন্ম নিবন্ধন ছাড়াও শিশুদের টিকার আওতায় আনা হবে। তবে কোনো শিশু অসুস্থ থাকলে টিকা নিতে না পারলেও পরবর্তীতে সুস্থ হলে টিকা দিতে পারবে।
বেলা ১১টায় সিভিল সার্জন দপ্তরের মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জেলার ৯টি উপজেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক ২ লাখ ৮৯ হাজার ৪৪৩ জনকে ও কমিউনিটি কেন্দ্রিক ১ লাখ ৪১ হাজার শিশুকে একডোজ টাইফয়েট টিকা দেওয়া হবে। বর্তমানে জেলায় নিবন্ধনের হার ২৩ শতাংশ।
নগর স্বাস্থ্য ভবনে বেলা ১২টায় অপর সংবাদ সম্মেলনে সিটি করপোরেশন জানায়, করপোরেশনের চারটি জোনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক ১ লাখ ২৪ হাজার ৫৭৬ জন, কমিউনিটি কেন্দ্রিক ৪৭ হাজার ৭৯৪জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে।
এসব অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শরীফ আসিফ রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মেডিকেল অফিসার ডা. নাজমুর রহমান সজিব উপস্থিত ছিলেন।