টাইমস হায়ার এডুকেশন র‍্যাংকিং

যৌথভাবে শীর্ষে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি 

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) আবারও বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিং ২০২৬-এ এনএসইউ যৌথভাবে বাংলাদেশের ১ নম্বর বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্থান পেয়েছে।  

আনুষ্ঠানিকভাবে ৯ অক্টোবর ২০২৫ প্রকাশিত ফলাফলে এ বছর এনএসইউ-এর সঙ্গে যৌথভাবে র‍্যাংকিংয়ের ৮০১–১০০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

২০২৬ সংস্করণের এই র‍্যাংকিংয়ে বিশ্বের ১১৫টি দেশের ২ হাজার ১৯১টি বিশ্ববিদ্যালয়কে মূল্যায়ন করা হয়েছে, যা টিএইচই-র ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম মূল্যায়ন। এ বছর মোট ১৯টি বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয় তালিকাভুক্ত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক একাডেমিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অবস্থানকে প্রতিফলিত করছে।

গত বছরও এনএসইউ বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে অন্য চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে প্রথম স্থান অর্জন করে। এ বছরও র‍্যাংকিংয়ের তালিকায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি; তবে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এই বছর বাংলাদেশের সর্বোচ্চ র‍্যাংকপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দলে যুক্ত হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, ‘এই অর্জন আমাদের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, নিষ্ঠা ও একাডেমিক উৎকর্ষের প্রতিফলন। আমরা এনএসইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের দিকনির্দেশনা, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ, যাদের সমর্থন আমাদের আরও উচ্চতর লক্ষ্য অর্জনে অনুপ্রাণিত করে। এনএসইউ তার গবেষণার প্রভাব বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার এবং বিশ্বমানের স্নাতক তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী ৭ থেকে ৯ অক্টোবর সৌদি আরবের থুওয়াল শহরে অনুষ্ঠিত টাইমস হায়ার এডুকেশন ওয়ার্ল্ড অ্যাকাডেমিক সামিট ২০২৫-এ অংশগ্রহণ করেন, যেখানে টিএইচই ওয়ার্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিং ২০২৬-এর ফলাফল ঘোষণা করা হয়। তার উপস্থিতি এনএসইউ-এর বৈশ্বিক একাডেমিক অঙ্গনে ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক মানের উৎকর্ষের প্রতি প্রতিশ্রুতিকে আরও সুদৃঢ়ভাবে তুলে ধরে। 
লিঙ্ক