২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সান মারিনোর বিপক্ষে রীতিমতো গোলবন্যা বইয়ে দিয়েছে অস্ট্রিয়া। ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত ‘গ্রুপ এইচ’-এর ম্যাচে গুনে গুনে ১০ গোল দেয় তারা বিশ্বের দুর্বলতম দলের বিপক্ষে।
এই জয়ে বিশেষত্ব হলো—অস্ট্রিয়ার শুরুর একাদশে থাকা প্রত্যেক আউটফিল্ড খেলোয়াড়ই গোল বা অ্যাসিস্টে অবদান রেখেছেন! আধুনিক ফুটবলে যা প্রায় নজিরবিহীন ঘটনা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। রোমানো শমিড গোল করে উৎসবের সূচনা করেন। এরপর একে একে স্কোরশিটে নাম তোলেন মার্কো আর্নাউটোভিচ, মিখায়েল গ্রেগোরিচ, স্টেফান পোশ ও কনরাড লাইমার। প্রথমার্ধেই অস্ট্রিয়া ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয়।
ডিফেন্ডার কেভিন ড্যানসো পর্যন্ত উঠে এসে পোশের এক গোলের অ্যাসিস্ট করেন—যা দলের আক্রমণাত্মক মানসিকতার প্রতিফলন।
আর্নাউটোভিচের রেকর্ড ভাঙা রাত
দ্বিতীয়ার্ধে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে অস্ট্রিয়া। অধিনায়ক আর্নাউটোভিচ করেন আরও তিন গোল, মোট চারটি গোল নিয়ে রাতটা নিজের করে নেন। এর মাধ্যমে তিনি হয়ে যান অস্ট্রিয়ার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা—৪৫ গোল, ভেঙে দেন ১৯৯৬ সাল থেকে টনি পলস্টার-এর ৪৪ গোলের রেকর্ড।
অস্ট্রিয়া ম্যাচে বল দখলে রাখে ৭১ শতাংশ সময়, নেয় ২৫টি শট, আর প্রতিপক্ষকে পুরোপুরি গুটিয়ে রাখে নিজেদের অর্ধে। এই জয়ে তারা বিশ্বকাপ বাছাইয়ে পাঁচ ম্যাচে পাঁচ জয় নিয়ে গ্রুপ এইচের শীর্ষে অবস্থান করছে।