সুব্রত বাইনসহ চার আসামির বিচার শুরু

শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনসহ তার তিন সহযোগীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর দিন ধার্য করেছে আদালত। আগামী ১৬ নভেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হবে।

গতকাল বুধবার আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে ঢাকা মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১৫ এর বিচারক ফাহমিদা জাহাঙ্গীর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। সুব্রত বাইন ছাড়া অন্য তিন আসামি হলেন, আবু রাসেল মাসুদ ওরফে মোল্লা মাসুদ, এম এ এস শরীফ ও আরাফাত ইবনে নাসির। এদিন আসামি সুব্রত বাইনকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্য দুই আসামি মোল্লা মাসুদ ও শরীফকে কারাগার থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত করা হয়। অভিযোগ পড়ে শোনানো হলে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

গত ২৭ মে ভোরে সেনাবাহিনীর অভিযানে কুষ্টিয়া থেকে সুব্রত বাইন ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি বিদেশি পিস্তল, ১০টি ম্যাগাজিন, ৫৩টি গুলি এবং একটি স্যাটেলাইট ফোন উদ্ধারের কথা জানায় সেনাবাহিনী। গত ২৮ মে অস্ত্র আইনে হাতিরঝিল থানার এস আই আসাদুজ্জামান এ মামলাটি করেন। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০১ সালে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আসামি সুব্রত বাইন ও তার সহযোগী মোল্লা মাসুদসহ ২৩ জন শীর্ষ সন্ত্রাসীর নাম ঘোষণা করে এবং তাদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। সুব্রত বাইন তৎকালীন সময়ে খুন-ডাকাতি সংঘটনের মধ্য দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করেন। পরে তিনি ভারতে পালিয়ে যান। ৫ আগস্টের পর সে দেশে প্রবেশ করে পুনরায় খুন, চাঁদাবাজি শুরু করেন। তার সহযোগী আসামি এসএম শরীফের হাতিরঝিলের একটি বাড়িতে তারা নিয়মিত মিটিং করেন এবং সেখানে তাদের ব্যবহৃত অস্ত্র, গুলি অপরাধ সংগঠনের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি রাখা আছে বলে তথ্য পায় পুলিশ। গত ১৩ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম চারজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।