জুলাই সনদ দলিল হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে : ফারুক

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জাতীয় সংসদের সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঐক্যের এক নতুন অধ্যায়, যা দেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে এক ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’ গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ ফোরামের উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘পি আর’ নামক একটি ‘জনবিচ্ছিন্ন দাবি’, গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকা- এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে চলমান ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে ফারুক বলেন, ‘বৃষ্টিভেজা আবহাওয়া উপেক্ষা করে প্রায় ছয় মাসের পরিশ্রমের ফল হিসেবে যে ‘ঐকমত্য কমিশনের দলিল’ বা ‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে বিএনপি, জামায়াতসহ মোট ৩৬টি রাজনৈতিক দল এ সনদে স্বাক্ষর করেছে। এটি প্রমাণ করে, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রশ্নে সব রাজনৈতিক শক্তি আজ ঐক্যবদ্ধ।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মানুষের কাছে এনসিপি যে সম্মান অর্জন করেছে, তা যেন কলঙ্কিত না হয় সেজন্য দলটিকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। আমি সাধারণত অসন্তোষ প্রকাশ করি না, তবে সাম্প্রতিক ঘটনাটি আমাকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। যারা ড. ইউনূসের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টির সমাধান করতে পারতেন, তারা কোনো উদ্যোগ নেননি। এত নেতা উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও এমন ঘটনা ঘটানো দুঃখজনক ও অনাকাক্সিক্ষত।’

ফারুক বলেন, ‘আমি ঐকমত্য কমিশনের সব দাবিকে স্বাগত জানাই। যারা ক্ষুব্ধ হয়েছেন, তারা সংলাপে ফিরুন। কোন দল কোন প্রতীক পাবে, সেটা নির্বাচন কমিশন ঠিক করবেএটি আমার বিষয় নয়। কিন্তু মানুষের চোখে আপনারা যে সম্মানটুকু অর্জন করেছেন, তা কলঙ্কিত করবেন না।’