জবি ছাত্রদল নেতা হত্যা: সংশ্লিষ্ট মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

পুরান ঢাকার আরমানিটোলাতে পানির পাম্প গলিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পরিসংখ্যান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জুবায়েদ আহামেদের হত্যার ঘটনায় দুজনকে শনাক্ত করার পাশাপাশি ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এক মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গণমাধ্যমে প্রচারিত লাইভে দেখা গেছে মেয়েটিকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের সভাপতি নাছির উদ্দিন নাছির।

গ্রেপ্তারের সময় আশপাশে ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ উৎসুক জনতার ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। এ সময় জড়িতদের ‘ফাঁসি চাই’ স্লোগান দিতে শোনা গেছে ছাত্রদলের কর্মী ও উপস্থিত জনতাদের।

এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনায় জড়িত দুজনকে শনাক্ত করার তথ্য নিশ্চিত করেন লালবাগ জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী।

তিনি বলেন, আমরা প্রাথমিক অবস্থায় দুইজনকে শনাক্ত করতে পেরেছি। তাদের গ্রেপ্তারের জন্য এরইমধ্যে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে ডিসি মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। আমরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করছি ভবনের সবাইকে। আশা করি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার প্রকৃত তথ্য তুলে আনতে সক্ষম হব।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, ঘটনা শোনামাত্রই আমি সেখানে রওনা দিয়েছি। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ছুরিকাঘাতে মৃত্যু হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছি। তারা সেটি সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে।

এর আগে বিকাল সাড়ে চারটার দিকে রাজধানীর বংশালে নূর বক্স রোডে রৌশান ভিটায় টিউশনির জন্য এলে বাসার নিচে জুবায়েদকে ছুরিকাঘাত করা হয়। সেখান থেকে দৌড়ে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার চেষ্টা করলে তিন তলাতে পড়ে যান তিনি এবং সেখানেই মৃত্যু হয় তার।