মেহেদী রাঙিয়ে প্রকাশ্যে ইবি ছাত্রীসংস্থা

দুইদিনব্যাপী মেহেদী উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) প্রকাশ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রী সংস্থা। গত মঙ্গলবার ও বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই উৎসবের আয়োজন করে সংগঠনটি।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গনে ছাউনি টাঙিয়ে ভিতরে চারটি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি বুথ সংগঠন সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর জন্য, বাকিগুলোতে উপহার, ‘অনুভূতি বক্স’ এবং মেহেদী দেওয়ার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি নতুন সদস্য আহ্বান করছেন এবং নারী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রচারপত্র বিতরণ করছেন।

বিশ্বদ্যিালয়ের শিক্ষার্থী মহিমা খান বলেন, ‘ছাত্রীসংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত এমন সুন্দর একটি উৎসবে এসে আমার খুব ভালো লাগছে। সব মেয়েরা এসে মেহেদী পরছে, একে অপরকে মেহেদী লাগিয়ে দিচ্ছে। ব্যাপারটা খুবই উপভোগ্য। এর মাধ্যমে আমাদের মেয়েদের মধ্যে বন্ধুত্ব-বন্ডিংটা আরও স্ট্রং হবে। আশা করছি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কৃতির চর্চাগুলোও আরও ভালোভাবে প্রচার হবে। ছাত্রীসংস্থার উদ্যোগে যে এমন একটা আয়োজন হতে পারে, এটা আমি প্রথম দেখলাম।’

উৎসবের আয়োজক প্রতিনিধি সাইয়েদা তাফান্নুম সিদ্দিকা বলেন, ‘ইসলামি ছাত্রী সংস্থা ইবি শাখার দুই দিনব্যাপী মেহেদি উৎসব শেষ হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা ছাত্রীবৃন্দদের অনেক বেশি সাড়া পেয়েছি। তারা খুবই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছে। আমরা মূলত এই অনুষ্ঠানে দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের ছাত্রীদের নিয়ে একটি ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করার চেষ্টা করেছি। এখানে আমরা ছাত্রীদের সাথে পরিচিতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ একটি সম্পর্ক তৈরি এবং সুস্থ সংস্কৃতির ধারা অব্যাহত রাখতে চেয়েছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখব।’

ছাত্রীসংস্থার ইবি শাখা সভানেত্রী ইয়াসমিন আক্তার বলেন, ‘মেহেদি উৎসবসহ আরও অনেক আয়োজনের নিয়মিত আয়োজক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীসংস্থা। বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে এ ধরনের আয়োজনে বিস্তৃত পরিসরে ছাত্রী সম্পৃক্ততা আনা সম্ভব হয়নি। ফ্যাসিস্ট পরবর্তী সময়ে এসে আমরা ছাত্রীদের নিয়ে কার্যক্রম গুলো করার চেষ্টা করছি এবং সামনের দিন গুলোতেও এ ধরনের কার্যক্রম গুলো চলমান থাকবে ইনশাআল্লাহ।’