চিয়া বীজ কখন খেলে উপকার

ফিটনেস ধরে রাখতে অনেকেই সকালে উঠে এক গ্লাস চিয়া বীজ ভেজানো পানি খান। আবার অনেকে বোতলে ভরে নেন চিয়া বীজ ভেজানো পানি। সারা দিন একটু একটু করে পান করেন সেই পানি। কিন্তু চিয়া বীজ খাওয়ায় সঠিক সময় কখন বা কখন খেলে বেশি উপকার পাবেন জেনে নিন। প্রতিদিন ব্যায়ামের আগে চিয়া বীজ খেতে পারেন। ওয়ার্কআউটের আগে এটি খেলে এনার্জি পাওয়া যায়। ব্যায়ামের আগে জ¦ালানি হিসেবে কাজ করে এই চিয়া বীজ। পানিতে ভিজিয়ে রাখলে চিয়া বীজ নিজের ওজনের কয়েকগুণ বেশি পানি শোষণ করে নেয়। পানীয়টি জেলির মতো থকথকে হয়ে যায়। এতে থাকা প্রোটিন, ফাইবার এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড স্ট্যামিনা ধরে রাখতে, শরীর হাইড্রেটেড রাখে এবং ওয়ার্কআউটের সময় ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে। সবচেয়ে ভালো হয়, যদি শরীরচর্চা করার প্রায় ৩০-৪৫ মিনিট আগে সাধারণ পানি, ডাবের পানি বা দুধের সঙ্গে চিয়া বীজ মিশিয়ে খেতে পারেন। এক গ্লাসই যথেষ্ট। এতে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পেশির শক্তি বাড়াতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

কখন খাবেন

চিয়া বীজ যেমন সঠিক সময়ে খেলে দারুণ উপকারী, তেমনই ভুল সময়ে খেলে শরীরে নানা ক্ষতি হতে পারে। তাই রোজের ডায়েটে চিয়া বীজ রাখার আগে ভেবে নিন কখন খাবেন। সকালে খেলে চিয়া বীজ শরীরকে শক্তি দেয়, তেমনই রাতে খেলে তা বদহজম বা পেট ফাঁপার কারণ হয়ে উঠতে পারে। ঘুমানোর আগে চিয়া বীজ খেলে হজমের প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। পেট ফাঁপার মতো সমস্যা হতে পারে।

কীভাবে খাবেন

এক টেবিল চামচ চিয়া বীজ এক গ্লাস পানিতে অন্তত ২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। ইচ্ছা হলে লেবুর রস, পুদিনা পাতা বা মধুও যোগ করতে পারেন এতে স্বাদ ভালো হয়। ওয়ার্কআউটের আগে পান করুন এই চিয়া বীজের পানি।

কী উপকার

চিয়া বীজে থাকা ওমেগা-৩ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়, প্রদাহ কমায় এবং প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। চিয়া বীজ নিয়মিত খেলে হজমের উন্নতি হয়। মেটাবলিজম বাড়ে ও সারা দিনের কাজ করার শক্তি পাওয়া যায়।