ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ১১ জনকে জখম করেছে মো. আব্দুল বাতেন (২৩) নামের এক যুবক।
আহতদের মধ্যে চারজন ময়মনসিংহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আশঙ্কাজনক একজনকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।
ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী লোহার শিকল ও রশি দিয়ে বাতেনকে আমগাছে বেঁধে তালা লাগিয়ে রাখেন।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বড়হিত ইউনিয়নের চণ্ডিপুর গ্রামে।
আজ (২৭ অক্টোবর) বিকালে চণ্ডিপুর গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, অভিযুক্ত যুবক আব্দুল বাতেনকে আমগাছে লোহার শিকল ও রশি দিয়ে বেঁধে তাতে তালা লাগানো হয়েছে। খবর পেয়ে সন্ধ্যায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
আহতরা হলেন, শহিদুল্লাহ ফকির (৬০), রমজান আলী (৬৫), লিটন মিয়া (৪৫), লিটনের মা জহুরা খাতুন (৭০), হোসেন আলী (৬০), হোসেন আলীর মেয়ে সুরাইয়া খাতুন (১৫), শমলা খাতুন (৫৫), মতিন ডাক্তার (৬৫) ও নজরুল ইসলাম (৫০)।
স্থানীয়রা জানান, আহতদের মধ্যে শহিদুল্লাহ ফকিরের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় রেফার করেছেন। এছাড়া হোসেন আলী, সুরাইয়া, জহুরা খাতুন ও রমজান আলী ময়মনসিংহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আহত সবাই চণ্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আব্দুল মোতালেব বলেন, “বাতেন পাগল কি না, নিশ্চিত বলতে পারছি না। তবে সে যে কাজটি করেছে, তা খুবই মর্মান্তিক। এখন এলাকাবাসী যে সিদ্ধান্ত নেবে, আমি তাদের পক্ষে আছি।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে বাতেনকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। সে মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তাকে ময়মনসিংহের মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার মানসিক উন্নতি হলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”