২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসে ১৭৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার কর-পরবর্তী একত্রিত নিট মুনাফা অর্জন করেছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪১% বেশি। জুলাই–সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির একত্রিত মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫% বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকায়।
দেশের শীর্ষস্থানীয় অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪.০৪ টাকায়, ২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে যা ছিল ২.৮৭ টাকা। একক (স্ট্যান্ডালোন) কর-পরবর্তী নিট মুনাফার পরিমাণ ১৩৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৯% বৃদ্ধি নির্দেশ করে। একক মেয়াদি আমানত (টার্ম ডিপোজিট)-এর পরিমাণ ২০২৪ এর তুলনায় ২৩% বৃদ্ধি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০,৪০৭ কোটি টাকায়। অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানের ঋণ পোর্টফোলিও’র আকার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২,১৬৭ কোটি টাকায়, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৮% প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে।
একত্রিত রিটার্ন অন ইক্যুইটি (বার্ষিকীকৃত) বেড়ে ১১.৩৯% হয়েছে, যা গত বছর ছিল ৮.৬৫%। একইভাবে একত্রিত রিটার্ন অন অ্যাসেটস গত বছরের ১.১৪% থেকে বেড়ে হয়েছে ১.৪৮%। দক্ষ মূলধন ব্যবস্থাপনা ও কার্যকরী ব্যবসায়িক পদক্ষেপের জের ধরে এই সাফল্য অর্জন করেছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স।
প্রতিষ্ঠানটির মন্দ ঋণের অনুপাত ৪.৭১%-এ স্থিতিশীল রয়েছে, যা কেবল গত বছরের একই সময়ের ৪.৯৮% মন্দ ঋণ অনুপাতের চেয়েই কম নয়, সেই সাথে সংশ্লিষ্ট খাতের গড় অনুপাতের তুলনায়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কম। একক প্রভিশন কভারেজ অনুপাত দাঁড়িয়েছে ১০১.৭৫%, যা প্রতিষ্ঠানটির সতর্ক ও দক্ষ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন ঘটায়।
আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আইডিএলসি’র সাফল্যের মূল সূত্র আমাদের অনন্য ব্যবসায়িক মডেল এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে আমাদের কঠিন শৃঙ্খলা ও দৃঢ়তা। দীর্ঘমেয়াদে গ্রাহককেন্দ্রিক সমাধান তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে আইডিএলসি। আর্থিক লাভজনকতার নিশ্চয়তা ও দায়িত্বশীল প্রশাসনিক পরিচালনা – এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রেখেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি’।
রাজধানীর গুলশানে আইডিএলসি কর্পোরেট হেড অফিসে অনুষ্ঠিত আইডিএলসি’র পরিচালনা পর্ষদের ৩৫৭তম সভায় ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনটি অনুমোদিত হয়।