দৈনন্দিন জীবনে অনেক সহজ কাজ ও আমল আছে যেগুলো যথাযথ পালনে অনেক উপকারিতা রয়েছে। এর মধ্যে উত্তম রিজিক ও নেক হায়াত বেড়ে যাওয়া একটি।
এ হায়াত ও রিজিক বাড়াতে কোনো দোয়া বা অজিফা পালন করতে হবে না। বিশ্ব নী হয়রত মুহাম্মদ (সা.) ঘোষণা করেছেন দৈনন্দিন জীবনে ওঠা-বসা, চলাফেরায়, দেখা-সাক্ষাতে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা কিংবা তাদের পারস্পরিক খোঁজ খবর রাখলেই বান্দার রিজিক বেড়ে যাবে এবং বাড়বে নেক হায়াত। হাদিসে এসেছে-
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে লোক তার রিজিক প্রশস্ত ও আয়ু বাড়াতে চায় সে যেন তার আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে।’ (বুখারি)
আত্মীয়-স্বজন ও মেহমানরা প্রত্যেকের জন্য আল্লাহ তাআলার রহমত নিয়ে আসে। তাদের প্রতি মনোকষ্ট বা তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ কোনোভাবেই ঠিক নয়।
রিজিক ও হায়াত বাড়াতে আত্মীয়-স্বজনের খোঁজ-খবর নেওয়া ও তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা একেবারেই সহজ কাজ। যা পালনে দুনিয়া ও পারকালের কোনো ক্ষতি নেই। বরং দুনিয়ায় রয়েছে যেমন উপকার। আর এ উপকার পরকালেও অবধারিত।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক রেখে, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সুসম্পর্ক রক্ষা করে চলার মাধ্যমে নিজেদের রিজিকের প্রশস্ততা ও নেক হায়াত বাড়াতে হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন।
এছাড়া প্রতিবেশীর সঙ্গে সুন্দর আচরণ করা। ইসলামে প্রতিবেশীর দায়িত্ব অনেক বেশি। কারণ আমরা সামাজিক জীব। আমাদের জীবনে প্রতিবেশীর ভালোবাসার প্রয়োজন অপরিহার্য।
যে ব্যক্তি প্রতিবেশীর হক আদায় করবে, মহান আল্লাহ তার হায়াতে বরকত দান করবেন।
আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা, চরিত্র সুন্দর করা এবং প্রতিবেশীর সঙ্গে সদ্ব্যবহার রাখায় দেশ আবাদ থাকে এবং আয়ু বৃদ্ধি পায়। (মুসনাদ আহমাদ, হাদিস : ২৫২৫৯)