জাতিসংঘ

যুদ্ধবিরতির পর গাজায় ২৪ হাজার টনের বেশি ত্রাণ পৌঁছেছে

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ব্যাপকহারে ত্রাণ পৌঁছানো শুরু হয়েছে। জাতিসংঘের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সীমান্ত দিয়ে এখন পর্যন্ত ২৪ হাজার টনের বেশি ত্রাণ সরবরাহ করা হয়েছে এবং কমিউনিটি ভিত্তিক বিতরণ কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি বিষয়ক উপ-সমন্বয়ক রামিজ আলাকবারভ বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় আমরা অনেক বেশি ত্রাণ গাজায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি। এখন পরিবার এবং স্থানীয় কমিউনিটির কাছে সরাসরি বিতরণ করা হচ্ছে।’

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির আঞ্চলিক পরিচালক সামের আবদেলজাবের জানান, চলতি মাসে প্রায় ২০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য সরবরাহ করা হয়েছে। আলাকবারভ বলেন, উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তার পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ায় ত্রাণ বিতরণ এখন সহজ হচ্ছে।

একই সঙ্গে ১৫টি থেরাপিউটিক প্রোগ্রাম সেন্টার চালু হয়েছে, যার মধ্যে আটটি নতুন কেন্দ্র গাজার উত্তরে খোলা হয়েছে। এই উদ্যোগে ইউনিসেফ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

জাতিসংঘের কর্মকর্তা আলাকবারভ আরও বলেন, ত্রাণ কার্যক্রমের পূর্ণ সাফল্যের জন্য বেসরকারি সংস্থা ও এনজিওদের অংশগ্রহণ জরুরি, তবে নিবন্ধন প্রক্রিয়া এখনও বাধা হয়ে আছে। তিনি ইসরায়েলকে আহ্বান জানান যেন তারা এই সংস্থাগুলোকে মানবিক সহায়তা বিতরণে সম্পূর্ণভাবে সহযোগিতা করতে অনুমতি দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দক্ষিণ ইসরায়েলে সমন্বয় কেন্দ্র স্থাপন করেছে, যা যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ এবং ত্রাণ ও পুনর্গঠন কার্যক্রমে সহায়ক হিসেবে কাজ করছে।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা প্রধান টম ফ্লেচার বলেন, যুদ্ধবিরতির কারণে আমরা এখন অনেক বেশি ত্রাণ পাঠাতে পারছি। আমাদের ৬০ দিনের জীবনরক্ষাকারী পরিকল্পনার আওতায় কাজ ত্বরান্বিত করা হয়েছে।