বরগুনার তালতলীতে ইংরেজি শিক্ষক রফিকুল ইসলাম রফিকের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন অভিভাবকরা। বৃহস্পতিবার উপজেলার সদর রোড এলাকায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে এলাকাবাসী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক ব্যক্তি অংশ নেন। অভিযুক্ত শিক্ষক রফিকুল ইসলাম পার্শ্ববর্তী আমতলী উপজেলার চরকগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন শিক্ষক সমাজের আদর্শ হওয়ার কথা, অথচ রফিকুল ইসলাম তার দায়িত্ব ও অবস্থানকে কলঙ্কিত করেছেন। তার মতো চরিত্রহীন ব্যক্তি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করলে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে।
তারা আরও বলেন, শিক্ষক যদি ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করে, তবে তা শুধু ওই ছাত্রী নয়, পুরো শিক্ষাঙ্গনের জন্য লজ্জার বিষয়। তাই এমন ব্যক্তিকে অবিলম্বে বিদ্যালয় থেকে অপসারণ করে আইনগত ব্যবস্থার আওতায় আনা জরুরি।
ইউপি সদস্য মো. মজিবর রহমান বলেন, একজন শিক্ষক হয়ে রফিকুল ইসলামের এই অনৈতিক আচরণ পুরো শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশকে বিষিয়ে তুলেছে। এমন শিক্ষক থাকলে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ নয়।
জাতীয়তাবাদী অটোরিকশা–ভ্যান চালক দলের সদস্য সচিব মো. মোতালেব মৃর্ধা বলেন, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। সমাজে এমন অপকর্ম বরদাশত করা হবে না।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বলেন, আমরা ন্যায়বিচার দাবি করায় উল্টো আমার মেয়ের বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশি হয়রানি করা হচ্ছে। প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
ভুক্তভোগী ছাত্রীটির দাদা মো. কালাম তালুকদার বলেন, আমাদের নাতনির মানসিক অবস্থা খুব খারাপ। এমন লম্পট শিক্ষকের অধীনে অন্য মেয়েরা নিরাপদ থাকতে পারে না। আমরা তার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।