বিএনপির জনসমর্থন দেখে জামায়াত নির্বাচন পেছাতে চাইছে: প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, জামায়াতে ইসলমীর 'আঙুল বাঁকা করে ঘি খাওয়া' জনগণ ১৯৭১ সালেই প্রত্যক্ষ করেছে। স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জনগণ আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত তাদের প্রভু পাক বাহিনীসহ তাদের রাজাকার বাহিনীকে যুদ্ধের ময়দানে মোকাবেলা করে দেশ স্বাধীন করেছেন।

আজ শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া সদরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন আয়োজিত মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আওয়ামী লীগের মতোই জামায়াতসহ কয়েকটি দল নিরপেক্ষ নির্বাচন ও জনগণকে ভয় পাচ্ছে। বিএনপির প্রার্থী তালিকা, নির্বাচন প্রস্তুতি ও জনসমর্থন দেখে তারা ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পিছিয়ে দিতে গণভোটসহ বিভিন্ন ননইস্যুকে ইস্যু বানাতে উত্তেজনাকর কথা বলে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত। এরা কিছুদিন পিআর, জুলাই সনদ নিয়ে শোরগোল করার চেষ্টা করছে। জনসমর্থন না পেয়ে এখন জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের জন্য হৈ চৈ করছে।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট জাতীয় নির্বাচনকে বানচাল করার প্রজেক্ট। পিআরসহ গণভোটের এই প্রজেক্ট আধিপত্যবাদের সাপ্লাই করা। আধিপত্যবাদ পুনরায় আওয়ামী ফ্যাসিবাদকে বাংলাদেশে পুনর্বাসন করতে নির্বাচন বানচালের এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এই ষড়যন্ত্রে যে বা যারা যুক্ত হবে জনগণ তাদের প্রতিহত করবে।

সমাবেশে এমরান সালেহ প্রিন্স তাকে আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এবার বিএনপির জনসমর্থন এবং দল ও আন্দোলনে ভূমিকা বিবেচনায় মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে। তিনি বিএনপির সকল নেতাকর্মী ও মনোনয়ন প্রত্যাশীদের প্রতি ভেদাভেদ ভুলে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

সমাবেশ ও মিছিলে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নেতৃবৃন্দের মধ্যে আলহাজ্ব মফিজ উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক আযহারুল ইসলাম কাজল, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান মনিক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন লিটন, যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ রাব্বানী সুমন, আবদুল কুদ্দুস, হাবিবুর রহমান, আবদুল ওয়াহেদ তালুকদার, মাহবুবুল আলম বাবুল, গাজিউর রহমান, জাকিরুল ইসলাম টোটন, হুমায়ূন কবীর, আবদুল মমিন শাহীনসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।