বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি বগুড়া থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করলেন সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের ভাই মীর স্নিগ্ধ রবিবার দুপুরে বগুড়ার মহাস্থানে হযরত শাহ সুলতান বলখী (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেন।
মাজার জিয়ারতকালে মীর স্নিগ্ধ বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি প্রত্যেকটি বিএনপি নেতাকর্মীদের জন্য খুবই আবেগ ঘন এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। একজন বিএনপি কর্মী হিসেবে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে এবং আমি বিএনপিতে যোগদান করার পরে এটাই প্রথম ছাত্র জনতার সঙ্গে গণ সংযোগ শুরু করছি। তাকে পেয়ে তরুণরাসহ বিএনপি নেতা কর্মীরা উজ্জীবিত।
গত ৪ নভেম্বর রাত ৯টায় গুলশানস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে নতুন সদস্য ফরম গ্রহণ করেন মীর স্নিগ্ধ। দলে যোগদানের পর প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি বগুড়া থেকেই রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করলেন তিনি।
রবিবার দুপুরে বগুড়ার মহাস্থান মাজার জিয়ারতের মাধ্যমেই তার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। এসময় বিএনপি যোগদান বিষয়ে তিনি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি এসে বিএনপির কর্মী হিসেবে গর্বিত। বিএনপির নেতাকর্মীরা সকলেই নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ শহীদরা যে স্বপ্ন নিয়ে যুদ্ধ করেছেন। আমার কিছু রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা রয়েছে যেটা তরুণদের বেশি বেশি করে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা, সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবচেয়ে ভালো জায়গা মনে হয়েছে বিএনপি। সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি। এই দলের মাধ্যমে শহীদ পরিবার, আহত ও তরুণদের জন্য বৃহৎ আকারে কাজ করতে পারব।
আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদি দল চায় যোগ্য মনে করেন দলের জন্য ভালো হয় সেক্ষেত্রে দলের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাবো। এদিকে মীর স্নিগ্ধ বিএনপিতে যোগদান করায় নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।
মহাস্থান মাজার জিয়ারত শেষে বিকালে তিনি শিবগঞ্জ মীর মুগ্ধ স্কয়ারে ছাত্র জনতা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলমের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা এড আব্দুল ওহাব, তাজুল ইসলাম, মীর সীমান্ত, খালিদ হাসান আরমান, বিপুল প্রমুখ।