দিনটি ২০ জুন, বৃহস্পতিবার। সকালে উঠে নাশতা করে জামাকাপড় রেডি হলাম। কেন? আমরা যাব ঐতিহাসিক স্থান ‘মহাস্থানগড়’। আমার নানুবাড়ি যেহেতু বগুড়া, সেহেতু মহাস্থানগড় যাওয়া আমাদের জন্য সহজ ছিল। নানুবাড়ি থেকে মহাস্থানগড় খুব বেশি দূরে না, মোটামুটি ২৩ কিলোমিটার।
মহাস্থানগড় একটি এলাকা, যা আগে ‘পুন্ড্রনগর’ নামে পরিচিত ছিল। এটি পরে মাটির নিচে চলে গিয়েছিল। পরে এটাকে খনন করে উদ্ধার করা হয়।
আমরা ছিলাম ছয়জন। আমি, বাবা-মা, নানা-নানি আর মামা। নিজেদের প্রাইভেট কার ও বাইকে ভাগ হয়ে বেরিয়ে পড়লাম। প্রথমে আমার গেলাম শাহ সুলতান বলখীর (র.)-এর মাজার দেখতে। শাহ সুলতান বলখীর (র.) রাজা পরশুরামকে পরাজিত করেছিলেন। এ অঞ্চলে তিনিই ইসলাম ধর্ম প্রচার করেন। এ ছাড়াও আমরা বেহুলা লখিন্দরের বাসরঘর, গোবিন্দ ভিটা, জাহাজঘাটা, প্রতœতত্ত্বস্থল ও শত বছরের পুরনো বটগাছ দেখেছিলাম। মহাস্থানগড়ের সবচেয়ে বিখ্যাত জায়গা হলো বেহুলা লখিন্দরের বাসরঘর।
এই ঝটিকা সফরে বগুড়া শহর ঘুরে দেখা অনেক আনন্দময় ছিল। পাঠ্যবইয়ের বিষয়বস্তু নিজ চোখে দেখার আনন্দ বলে বোঝানোর মতো নয়!
তাহিয়াত রহমান
শিক্ষার্থী, ষষ্ঠ শ্রেণি
ওয়াইডব্লিউসিএ জুনিয়র গার্লস হাইস্কুল, ঢাকা