চেক প্রজাতন্ত্রের ডুকোভানি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্প্রসারণ করা হবে যেখানে দুইটি নতুন রিয়েক্টর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশটির নিউক্লিয়ার উৎপাদন দ্বিগুণ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। প্রতিটি রিয়েক্টরের ক্ষমতা ১,০০০ মেগাওয়াটের বেশি এবং ২০৩০ এর শেষের দিকে এদের কার্যক্রম শুরু হবে।
প্রকল্পটি চেক প্রজাতন্ত্রকে জ্বালানী জীবাশ্মের ওপর নির্ভরতা কমাতে, স্থির বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে, কার্বন নির্গমন লক্ষ্য পূরণ করতে এবং ডেটা সেন্টার ও বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদা মেটাতে সহায়তা করবে। সরকার ৮০% অংশীদারিত্ব রাখবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের আয় ৪০ বছরের জন্য নিশ্চিত থাকবে। নিরাপত্তার কারণে রাশিয়ান ও চীনা কোম্পানিগুলো এই প্রকল্প থেকে বাদ পড়েছে। এছাড়াও প্রকল্পটি ডুকোভানি ও তেমেলিনে ভবিষ্যতের ছোট মডুলার রিয়েক্টর নির্মাণের পথ প্রশস্ত করবে।
বর্তমানে চেক প্রজাতন্ত্রের বিদ্যুত্যের প্রায় ৪০% আসে নিউক্লিয়ার থেকে, এবং কয়লা প্রায় সমপরিমাণ অবদান রাখে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, কয়লা ব্যবহার কমাতে এই সম্প্রসারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও নিউক্লিয়ার শক্তি জনসমর্থন পাচ্ছে, সমালোচকরা এর উচ্চ খরচ এবং স্থায়ী ব্যবহার শেষ জ্বালানির সঞ্চয় না থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এই সম্প্রসারণ ইউরোপের বড় ধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিউক্লিয়ার শক্তিকে টেকসই বিনিয়োগের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং বেলজিয়াম, সুইডেন, পোল্যান্ড, যুক্তরাজ্য সহ বিভিন্ন দেশ জলবায়ু লক্ষ্য পূরণের জন্য নিউক্লিয়ার উন্নয়ন বাড়াচ্ছে।