কফিতে বিষ মেশাল যে, সে কি বোকা অপরাধী নাকি অতি চালাক ক্রিমিনাল? আর মামাতো বোন লিজার বন্ধুর বাড়িতে চুরির ঘটনা? জানালার শিক ভেঙে গহনা-টাকা নিয়ে উধাও হয় চোর। চোর কি ঘরের কেউ? নাকি সত্যি সত্যি চোর? গুবলুর গোয়েন্দা চোখ কি পারবে সেই চোরকে পাকড়াও করতে?
গোয়েন্দা গুবলু এখন ঢাকায়। ওর কবির মামার অফিসে একটা ভয়ংকর কা- ঘটল। কে বা কারা যেন কফিতে কিছু মিশিয়ে দিল। অফিসসুদ্ধ সব্বাইকে মেরে ফেলতে চায়? সেই কফি পানে একযোগে সবাই হাসপাতালে ভর্তি। পুলিশ কফিতে বিষের অস্তিত্ব খুঁজে পেলেও অপরাধী কে তা ধরতে পারে না। কারণ সে যেমন চালাক, তেমনি ধুরন্ধর। কিন্তু গোয়েন্দা গুবলু থাকতে চিন্তা কী? এগিয়ে আসে গোয়েন্দা গুবলু। মাথার মধ্যে গিজগিজে বুদ্ধির ক্যারিশমাতে অপরাধী কে তা বের করে ফেলে গোয়েন্দা গুবলু। অপরাধী ধরা পড়ে, অথচ শেষে প্রমাণ হয় জেনেবুঝে সে কিছু করেইনি। সে কি বোকা অপরাধী নাকি অতি চালাক ক্রিমিনাল!
ওদিকে ভয়ানক চুরি হয় গুবলুর মামাতো বোন লিজার বন্ধু লোপার বাসায়। ক্যাশ টাকা আর গহনা চুরি যায়। কিন্তু ওরা বুঝতে পারে না, চোর ব্যাটা এলো কোন পথে! সদর দরজা বন্ধ, পেছনের জানালার কাচ ভাঙা, কিন্তু লোহার শিক টপকে ভেতরে ঢোকা কঠিন বৈকি। সারা মহলের সামনের টং দোকানদার নুরু অথবা মুচি মনির কি চুরির সঙ্গে জড়িত! নাকি বাঘের ঘরেই ঘোগ এসে বাসা বেঁধেছে! শেষমেশ অদ্ভুত এক চুরির কেসটা কি সমাধান করতে পারবে গোয়েন্দা গুবলু?
জানতে হলে পড়তে হবে ‘গুবলুর গোয়েন্দা চোখ’।