বিশ্বব্যাংকের একটি নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ মানুষ চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উচ্চ তাপমাত্রা, ভয়াবহ বন্যা ও উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততার বৃদ্ধি বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।
জরিপে দেখা গেছে, বেশিরভাগ পরিবার ও প্রতিষ্ঠান এখনও কম খরচের সমাধানের ওপর নির্ভর করছে। উপকূলীয় ২৫০ গ্রামের জরিপে বলা হয়েছে, জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামোর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ৫৭ শতাংশ পরিবার পর্যাপ্ত দুর্যোগ-সুরক্ষা অবকাঠামোর অভাবকে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেছে, আর ৫৬ শতাংশ পরিবার আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারছে না।
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসমে বলেন, ‘বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা বারবার নতুনভাবে পরীক্ষিত হচ্ছে। আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা, সামাজিক সুরক্ষা, জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি ও ঝুঁকি ভিত্তিক অর্থায়ন বাড়ানো জরুরি।’
পরিবেশ সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ জানান, সরকার ইতিমধ্যে পাইলট প্রকল্প চালাচ্ছে এবং অন্যান্য বিভাগের সমন্বয়ে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণের চেষ্টা করছে। প্রতিবেদনটি বিশেষভাবে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ও সঠিক বিনিয়োগের মাধ্যমে স্থানীয় অভিযোজন বাড়ানোর তাগিদ দেয়।