রূপায়ণ সিটির ‘এভিয়েশন নাইট’-এ সুর-সংগীতে বিমোহিত অতিথিরা

উত্তরার রূপায়ণ সিটি আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠান ‘রূপায়ণ সিটি এভিয়েশন নাইট’ পরিণত হয় সৌন্দর্য, সুর আর সৌহার্দ্যের এক স্মরণীয় সন্ধ্যায়। রূপায়ণ গ্র্যান্ডের বি-ব্লক লাউঞ্জে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি মূলত পাইলট কমিউনিটির জন্য সাজানো হলেও, উপস্থিত সকল অতিথিই ডুবে যান গজলের মায়াবী আবহে।

আজ শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যার পুরো সময়জুড়ে জনপ্রিয় গজলশিল্পী মনজুরুল ইসলাম খান একের পর এক হৃদয়ছোঁয়া পরিবেশনায় শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রাখেন। তাঁর কণ্ঠে গজলের সুর আর অনুভূতির সমন্বয়ে ভরপুর লাউঞ্জে তৈরি হয় অনিন্দ্য এক পরিবেশ, যেখানে উপস্থিত সবাই যেন সুরের জাদুতেই ডুবে ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাপা প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন বাসিত মাহতাবসহ তাঁর সহকর্মীরা। আরও ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাতুল, রূপায়ণ সিটির সিইও এম মাহবুবুর রহমান, রূপায়ণ গ্রুপের এডভাইজর ক্যাপ্টেন পি. যে. উল্লাহসহ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে ক্যাপ্টেন বাসিত মাহতাব রূপায়ণ সিটি নিয়ে তাঁর প্রশংসা প্রকাশ করে বলেন, রূপায়ণ সিটি উত্তরা বাংলাদেশে অত্যন্ত ইউনিক ও চমকপ্রদ একটি প্রজেক্ট, প্রজেক্টে ঢুকেই আমি অ্যামেজড হয়েছি। এটি সেফ, সিকিউরড ও প্রিমিয়াম এনভায়রনমেন্ট প্রদান করবে, যা আমাদের কমিউনিটির জন্য খুবই উপযোগী।

তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্প দেশের জন্য এক ধরনের গর্ব, এবং এটি স্বল্প সময়ের মধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে চেয়ারম্যানের ব্যবসায়িক দূরদর্শিতার কারণে।

রূপায়ণ সিটির সিইও এম এ মাহবুবুর রহমান অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন, রূপায়ণ সিটি একটি জীবন্ত কমিউনিটি, যেখানে সবাই একসাথে সংস্কৃতি উপভোগ করে ও জীবনকে সুন্দরভাবে উপভোগ করে।

সংস্কৃতি, কমিউনিটি ও পেশাজীবী মানুষের সমন্বয়ে সাজানো ‘এভিয়েশন নাইট’ আয়োজনটি অতিথিদের মনে রেখে গেছে এক উষ্ণ, সৌন্দর্যময় অভিজ্ঞতা।