ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর শেরে বাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মক ভোটিং পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
সিইসি বলেন, আমরা মোটামুটি সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। ইনশাআল্লাহ, জাতিকে যে সুন্দর, অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার করেছি, তা আমরা বাস্তবায়ন করব।
মক ভোটিং সম্পর্কে তিনি ব্যাখ্যা করেন, আজকের এই মহড়ার উদ্দেশ্য হলো একটি আদর্শ পোলিং সেন্টারের পরিবেশ কেমন হবে, তা বাস্তবে দেখা। ভোটার লাইন, কর্মকর্তাদের কার্যক্রম, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে কী পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, সবই আমরা প্র্যাকটিক্যাল ডেমনস্ট্রেশনের মাধ্যমে যাচাই করছি।
তিনি জানান, প্রথমবারের ভোটারসহ অনেকেই ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা না থাকায় মক ভোটিংয়ের মাধ্যমে তারা হাতে-কলমে ধারণা পাচ্ছেন। পাশাপাশি কমিশন ভোট গ্রহণের পুরো সময় ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা পরিমাপ করছে। যেহেতু নির্বাচনের পাশাপাশি এবার গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে, তাই সময় ব্যবস্থাপনা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সিইসি আরও বলেন, আজকের রিয়েল টাইম এসেসমেন্টের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ৪২ হাজার ৫০০ পোলিং সেন্টার যথেষ্ট কিনা, নাকি বুথ বাড়ানোর প্রয়োজন আছে।
তিনি স্পষ্ট করেন, বুথ বাড়ানো মানে অতিরিক্ত জনবল, বাক্স, লজিস্টিকসহ নানা ব্যয় যুক্ত হবে। তবে কমিশন খরচ নয়, প্রয়োজনকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দেবে।
গণভোট প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, গণভোটে চারটি প্রশ্ন থাকলেও ভোট হবে হ্যাঁ বা না-তে। আইন অনুযায়ী প্রশ্নগুলো একসঙ্গে বান্ডেল করা। এক-দুটো প্রশ্নে হ্যাঁ, বাকি প্রশ্নে না-এ রকম পৃথক অপশন নেই। এটা রাজনৈতিকভাবে নির্ধারিত।