সংশোধনী

গত ৩ নভেম্বর দেশ রূপান্তর পত্রিকার ১১ পৃষ্ঠায় সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি ‘শিক্ষকদের অর্থ আত্মসাৎ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা’ শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদে ২ নম্বর আসামির নামে ভুল হয়েছে। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির সাবেক রেজিস্ট্রার বর্তমানে ‘ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং’ বিভাগের প্রফেসর এবং ডিন ড. (ইঞ্জি.) মো. মোজাম্মেল হক। প্রতিবাদপত্রে বলা হয়, উক্ত প্রতিবেদনে ২ নম্বর আসামি হিসেবে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির সাবেক রেজিস্ট্রার প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার মো. মোজাম্মেল হকের নাম উল্লেখ করা হয়। প্রকৃতপক্ষে এই ব্যক্তি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক আলমগীর হোসেন গত ২ নভেম্বর বাদী হয়ে দায়ের করা মামলার আসামি নন। ওই মামলার প্রকৃত ২ নম্বর আসামি হলেন সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ইঞ্জিনিয়ার মো. মোজাম্মেল হক।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : গত ২ নভেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১-এর উপপরিচালক সুবেল আহমেদের দপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো ‘প্রেস রিলিজে’ মামলার ২ নম্বর আসামির নাম ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। যদিও পরে ওই মামলা-সংক্রান্ত আদালতে পাঠানো কাগজপত্রে ২ নম্বর আসামির নাম সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটি উপপরিচালক সুবেল আহমেদ।

গত ২ নভেম্বর শিক্ষকদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থ আত্মসাৎ ও তহবিলের টাকা তছরুপের অভিযোগে বেসরকারি সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির কোষাধ্যক্ষ সরোয়ার জাহান এবং সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ইঞ্জিনিয়ার মো. মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক আলমগীর হোসেন।