পার্বত্যচট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের রোডম্যাপ ঘোষণাসহ ৮ দফা জানিয়েছে পার্বত্যচট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এম এন লারম)।
পার্বত্যচুক্তির ২৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল রবিবার সকালে খাগড়াছড়ি সদরের তেঁতুলতলা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের হলরুমে সংবাদ সম্মেলন থেকে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পার্বত্যচট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সুধাকর ত্রিপুরা। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, চুক্তির ২৮ বছর পূর্ণ হলেও পার্বত্যচট্টগ্রামে এখনো শান্তি আসেনি। চুক্তি স্বাক্ষরকারী আওয়ামী লীগ সরকার দীর্ঘ এক যুগের অধিক সময় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকলেও চুক্তির মৌলিক ধারাগুলো বাস্তবায়ন করেনি। গত ২০২৪ সালের জুলাই ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলেও বর্তমান সরকার চুক্তি নিয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। যার কারণে পাহাড়ে এখনো অশান্তি বিরাজ করছে। ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তিসহ চুক্তির মৌলিক ধারাগুলো বাস্তবায়ন করা হলে পাহাড়ে শান্তি আসবে বলেন জানান তিনি।
এ সময় তিনি চুক্তি মোতাবেক ভূমি কমিশনের বিধিমালা প্রণয়নপূর্বক দ্রুত বিচারিক কার্যক্রম করা, পার্বত্যচট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে ১৯০০ সালের পার্বত্যচট্টগ্রাম শাসনবিধি কার্যকর রাখা, চুক্তি মোতাবেক পার্বত্যচট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে সাধারণ প্রশসান, স্থানীয় পুলিশ, ভূমি ও ভূমি ব্যবস্থাপনা, উপজাতীয় আইন ও সামাজিক বিচার কার্যাবলি ও ক্ষমতার নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে হস্তান্তর করাসহ ৮ দফা দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সুভাষ কান্তি চাকমা, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক সুদর্শন চাকমা, রাঙ্গামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুপিটার চাকমাসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।