সরকার কি সত্যিই গণতান্ত্রিক উত্তরণ চায়? আগে বলা হয়েছিল ডিসেম্বরের শুরুতে নির্বাচনের তফসিল হবে, এখন বলা হচ্ছে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। ফেব্রুয়ারিতে কি আদৌ নির্বাচন হবে-এ প্রশ্ন এখন সবার-বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, খুব শিগগিরই দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে মনে হয় না।
রুমিন ফারহানা শনিবার (২৯ নভেম্বর) একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরা এখন আর শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়; এটি দেশের রাজনৈতিক গতিপথের সঙ্গেও জড়িত।
তিনি বলেন, তারেক রহমানকে শুধু বিএনপির প্রধান হিসেবেই দেখলে ভুল হবে। বাংলাদেশের প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভবিষ্যৎ অনেকাংশেই নির্ভর করছে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় থাকতে পারবেন কিনা তার ওপর।
তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক পথে এগোতে দিতে চান না বা ব্যর্থ রাষ্ট্র বানাতে চান, তাদের কাছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ও বাধা
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, কোনো নাগরিক নিরাপত্তাহীনতায় থাকলে তার দায় সরকারকেই নিতে হবে। নির্বাচন নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, সরকার কি সত্যিই গণতান্ত্রিক উত্তরণ চায়? তিনি বলেন, আগে বলা হয়েছিল ডিসেম্বরের শুরুতে নির্বাচনের তফসিল হবে, এখন বলা হচ্ছে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। ফেব্রুয়ারিতে কি আদৌ নির্বাচন হবে-এ প্রশ্ন এখন সবার।
তিনি বলেন, অতীতে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিবেশে যে উত্তাপ থাকত, এখন তার কোনো লক্ষণ নেই। এখন সর্বত্র থমথমে ভাব। কিছুদিন আগে এনসিপি জোট, জামায়াত ও বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে আলোচনায় পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল। এখন সে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ঠাণ্ডা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, অনেকেই বলছেন ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা কম। তার ব্যক্তিগত মতও হলো-শিগগিরই দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে মনে হয় না।