থাইরয়েড হরমোন নিয়ন্ত্রণে ৫ পানীয়

থাইরয়েড গ্রন্থির অতিসক্রিয়তা কিংবা নিষ্ক্রিয়তা দুটিই শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। ওষুধের পাশাপাশি কয়েকটি পানীয় খেলে এই ধরনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

অল্প পরিশ্রমেই ক্লান্তি ঘিরে ধরছে। সাধারণভাবে এই লক্ষণগুলো দেখলে চিকিৎসকরা রক্তে থাইরয়েডের মাত্রা পরীক্ষা করাতে বলেন। বয়সের সঙ্গে থাইরয়েডের কোনো সম্পর্ক নেই। যেকোনো বয়সেই হানা দিতে পারে হরমোনঘটিত এই রোগ। থাইরয়েড গ্রন্থির অতিসক্রিয়তা কিংবা নিষ্ক্রিয়তা দুটিই শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। এই হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে জীবনযাপনে পরিবর্তন আনার সঙ্গে সঙ্গে খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি।

হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও এক চিমটি লবণ

হালকা গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে খেলে হজমশক্তি উন্নত হয়।

থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে আর্দ্রতাজনিত সমস্যায় ভোগেন অনেকে। এই পানীয় খেলে আর্দ্রতাজনিত সমস্যা অনেকটাই কমে। সৈন্ধব লবণে ম্যাগনেশিয়াম এবং পটাশিয়ামের মতো খনিজ রয়েছে। যা হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

শজনে পাতার চা

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, জিঙ্ক এবং আয়রনে সমৃদ্ধ শজনে পাতা। থাইরয়েড হরমোনের সমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এই খনিজগুলো। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে রাখতেও

সহায়তা করে।

জিরা-ধনে-মৌরি ভেজানো পানি

পেটের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘরোয়া টোটকা হিসেবে মৌরি ভেজানো পানি খাওয়ার রেওয়াজ বহু পুরনো। তবে, জিরা-মৌরি-ধনে এই তিন মসলা একসঙ্গে ভিজিয়ে খেলে লিভার ফাংশন ভালো হয়। যা থাইরয়েড হরমোনের ঞ৩ এবং ঞ৪ হরমোনের সমতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

ডাবের পানি ও এক চিমটি দারুচিনি গুঁড়া

ডাবের পানি এমনিতেই শরীরের জন্য ভালো। তার সঙ্গে যদি এক চিমটি দারুচিনি মিশিয়ে খেতে পারেন, তা হলে রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক থাকে। পাশাপাশি, থাইরয়েড হরমোনের সমতাও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

অশ্বগন্ধা গাছের ছাল ভেজানো পানি

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অশ্বগন্ধা হরমোনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নানাবিধ রোগব্যাধি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। একই সঙ্গে স্ট্রেস হরমোন বা কর্টিসলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে।