বিয়ারিং প্যাড দুর্ঘটনা

মেট্রোরেলের যাত্রী ১০ শতাংশ কমেছে

বিয়ারিং প্যাড-সংক্রান্ত কারিগরি ত্রুটির ঘটনার পর মেট্রোরেলে যাত্রী চলাচলের হার গড়ে ১০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ। গতকাল সোমবার রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ীতে মেট্রোরেল ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। ডিএমটিসিএলের এমডি জানান, স্বাভাবিক সময়ে মেট্রোরেলে দৈনিক গড়ে ৪ লাখ ৬০ হাজার যাত্রী যাতায়াত করত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সেই সংখ্যা কমে ৪ লাখের কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়েছে।

গত ২১ নভেম্বর অনুভূত ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প প্রসঙ্গে ফারুক আহমেদ জানান, ভূমিকম্পে মেট্রোরেলের অবকাঠামোগত কোনো ক্ষতি হয়নি, শুধু দুটি টাইলস খসে পড়েছিল। সেদিন ট্রেন চলাচল শুরু হতে ২৭ মিনিট দেরি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘যাত্রীদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবার আগে। তাই সেদিন একটির পরিবর্তে দুটি “সুইপার ট্রেন” চালিয়ে লাইন ও সবকিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছিল। এ কারণেই কিছুটা দেরি হয়েছে।’

গত রবিবার রাতে মেট্রোরেলের দুই কোচের মাঝখানে এক কিশোরের ছাদে উঠে পড়ার ঘটনায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ওই কিশোর কারওয়ান বাজার থেকে দুই কোচের সংযোগস্থলে বসে আগারগাঁও হয়ে সচিবালয় স্টেশনে পৌঁছায়। বিষয়টি নজরে আসার পরপরই নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে নামিয়ে আনেন এবং বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখে পুরো ট্র্যাকে তল্লাশি চালানো হয় এবং সকালে আবার সুইপার ট্রেন দিয়ে চেক করা হয়।

ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করতে স্টেশনের নিচতলায় প্রবেশপথে (এন্ট্রি পয়েন্ট) সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর ঘোষণা দেন তিনি।