পে-স্কেলের দাবিতে গণকর্মচারীদের নতুন আন্দোলন কর্মসূচি

জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ দ্রুত কার্যকরসহ পাঁচ দফা দাবিতে আগামী মাস থেকে নতুন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ। 

সংগঠনটি জানুয়ারি মাসে ঢাকায় একটি জাতীয় সমাবেশ এবং জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে সচিবালয় অভিমুখে লং মার্চ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে।

২ ডিসেম্বর রাজধানীর আবদুল গণি রোডে সংগঠনের কেন্দ্রীয় দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নীতিনির্ধারণী কাউন্সিলের চেয়ারম্যান নোমানুজ্জামান আজাদ এই কর্মসূচিগুলো তুলে ধরেন। 

এর অংশ হিসেবে ৩ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা ও অর্থ উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

সংগঠনের মহাসচিব বদরুল আলম সবুজ বলেন, ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় বেতন কমিশনের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ এবং আগামী ১ জানুয়ারি থেকে তা বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর চালু, শতভাগ পেনশন সুবিধা বজায় রাখা, প্রশাসনিক-আর্থিক বৈষম্য দূর করা এবং সচিবালয়ের মতো একীভূত নিয়োগবিধি প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় সার্ভিস কমিশন গঠনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

এ ছাড়া সব অস্থায়ী কর্মচারীকে নিয়মিত করা, ন্যায্যমূল্যে মানসম্মত রেশন নিশ্চিত করা, আউটসোর্সিং বাতিল করে শূন্যপদে সরাসরি রাজস্বখাতে নিয়োগ এবং ব্লক পোস্টে পদোন্নতির পথ তৈরি করার দাবি জানানো হয়। 

পাশাপাশি আইএলও কনভেনশনের ৮৭ ও ৯৮ ধারার আলোকে সরকারি দপ্তরগুলোতে গণকর্মচারীদের সংগঠন করার অধিকার প্রতিষ্ঠার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আজমি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। 

সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. সেলিম ভূঞা, মো. রোকনুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম মামুন, জিল্লুর রহমান খান, অহিদুর রহমান ও কামাল হোসেন শিকদারসহ অনেকে।