সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের তিন দফা দাবিতে চলমান ‘শাটডাউন’ কর্মসূচির কারণে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার ৫৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টানা তিন দিনের মতো বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে।
শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে থাকায় অধিকাংশ বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন স্কুল ঘুরে দেখা যায়, সহকারী শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে না থাকায় পরীক্ষার পরিবেশ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। অনেক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকরা একাই প্রশ্ন বিতরণ, পর্যবেক্ষণ ও খাতা সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করছেন।
এতে পরীক্ষার স্বাভাবিকতা ব্যাহত হলেও শিক্ষার্থীদের ক্ষতি কমাতে তারা বিকল্প উপায়ে পরীক্ষা নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
কয়েকটি স্কুলে অভিভাবক ও স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির (এসএমসি) সদস্যরাও প্রধান শিক্ষককে সহায়তা করতে এগিয়ে এসেছেন।
সহকারী শিক্ষকদের দাবির মধ্যে রয়েছে-পদোন্নতি কাঠামো উন্নয়ন, বেতন বৈষম্য দূরীকরণ এবং নন-ক্যাডার পদ মর্যাদা পুনর্বিন্যাস। এসব দাবিতে তারা দেশব্যাপী কর্মবিরতি পালন করছেন।
দেবিরচর দুমকি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম জানান, শিক্ষক সংকটের কারণে পরীক্ষার পুরো চাপ তার ওপর পড়েছে। এসএমসি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, পরীক্ষা বন্ধ থাকলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত ক্ষতি বাড়বে, তাই তারা পরীক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে সহযোগিতা করছেন।
উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান রিপন বলেন, উপজেলার ৫৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে বার্ষিক পরীক্ষা চলমান রয়েছে।