ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের শেষ তিনটি ম্যাচ থেকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) প্রায় ৪ কোটি ৫ লাখ টাকা আয় করেছে। বাফুফের পঞ্চম নির্বাহী কমিটির সভায় এই তিন ম্যাচের আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুমোদিত হয়েছে। তবে সংবাদ সম্মেলনে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম শুধুমাত্র আয়ের পরিমাণই জানান।
জাতীয় দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং নতুন খেলোয়াড় হামজা চৌধুরী ও শমিত সোমের আগমনের পর দর্শক আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জুনে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলা ম্যাচে ২১,৩১৭ দর্শক উপস্থিত ছিলেন, যা থেকে আয় হয়েছিল ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচে টিকিট বিক্রি থেকে ১ কোটি ২ লাখ ৭ হাজার টাকা আয় হয়েছে। সর্বাধিক আয় এসেছে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে, যেখানে প্রায় ২৪ হাজার দর্শক খেলাটি দেখতে উপস্থিত ছিলেন এবং বাংলাদেশ ১-০ গোলে জিতেছে। ওই ম্যাচ থেকে আয় হয়েছে ১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।
তিন ম্যাচ মিলিয়ে মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৫ লাখ ৭ হাজার ৮৭৪ টাকা। ব্যয় কতো, কেন ব্যয় জানা যাবে না এই প্রশ্নের উত্তরে বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু বলেন, 'ব্যয় নিয়ে কাজ চলছে। আপনারা বলেছেন এজন্য আয় জানালাম।' ব্যয়ের হিসাব যেমন জানাতে পারেননি তেমনি আয় নিয়েও গোলমাল পাকিয়ে ফেলছিলেন। প্রথমে শুধু টিকিট বিক্রিতেই এই আয় উল্লেখ করলেও পরবর্তীতে সাংবাদিকদের জেরার পর জানান সব খাত মিলিয়ে আয়৷
সভায় আরও আলোচনা হয়েছে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামকে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম হিসেবে উন্নীত করার জন্য ফিফার সহায়তা প্রাপ্তির বিষয়েও। এতে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করা সহজ হবে।