নেইমারের হ্যাটট্রিকেও মন গলেনি আনচেলত্তির; চাইলেন যোগ্যতার প্রমাণ

ব্রাজিল সুপারস্টার নেইমার কি আগামী ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন- এটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। এখন পর্যন্ত কার্লো আনচেলত্তির সুনজরে আসতে পারেননি চোটাক্রান্ত এই তারকা। দুদিন আগেই সান্তোসের হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন। তবু মন গলেনি আনচেলত্তির। তিনি নেইমারের যোগ্যতার প্রমাণ চান।

আনচেলত্তি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়া মানেই অবধারিতভাবে নেইমারের প্রসঙ্গ আসবেই। গতকাল শুক্রবার ওয়াশিংটনে বিশ্বকাপ ড্র অনুষ্ঠান শেষে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। নেইমার ইস্যুতে ব্রাজিলের প্রধান কোচ বলেন, ‘নেইমার যদি দলে থাকার যোগ্য হয় এবং অন্যদের চেয়ে ভালো হয়, তাহলে সে বিশ্বকাপে খেলবে, ব্যস এটুকুই। কারও কাছে আমার কোনো ঋণ নেই।’

আগামী বিশ্বকাপে ‘সি’ গ্রুপে ব্রাজিলের গ্রুপ প্রতিপক্ষ মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ড। ইতোমধ্যেই দল গোছানো শুরু করেছেন আনচেলত্তি। তাই এমতাবস্থায় তিনি শুধু নেইমারকে নিয়ে আলোচনায় আগ্রহী নন, ‘যদি নেইমারের কথা বলি, তবে অন্য খেলোয়াড়দের কথাও বলতে হবে। নেইমারকে নিয়ে এবং নেইমার ছাড়া দুইভাবেই ব্রাজিলকে ভাবতে হবে। মার্চে ফিফা উইন্ডোর ম্যাচগুলো শেষে আমরা চূড়ান্ত দল ঠিক করব।’

৩৩ বছর বয়সী নেইমারের চিরসঙ্গী এখন ইনজুরি। জাতীয় দলে খেলেছিলেন দুই বছর আগে। ২০২৩ সালের অক্টোবরের ছেঁড়া হাটুর লিগামেন্ট ইনজুরি থেকে এখনও পুরোপুরি সেরে উঠতে পারেননি। উরুগুয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাই ম্যাচে তিনি গুরুতর ইনজুরিতে পড়েন। তবু ব্রাজিলিয়ান লিগে অবনমন এড়ানোর লড়াইয়ে সান্তোসের হয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন তিনি। গত বুধবার সান্তোসের হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন। তবু মন গলেনি আনচেলত্তির।

নেইমারের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নে আনচেলত্তি বলেন, ‘আমাদের এখন নির্দিষ্ট কোনো রেফারেন্স প্লেয়ার নেই। ২০১৪ বিশ্বকাপের পর থেকে এই ভূমিকায় ছিল নেইমার। এখন দল হিসেবে শক্তিশালী হওয়াই মূল লক্ষ্য। আমাদের বিশ্বসেরা গোলরক্ষক আছে, দুর্দান্ত ডিফেন্ডার আছে, দারুণ মিডফিল্ডার আছে এবং আরও কিছু প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে। আমি এমন খেলোয়াড় চাই না যারা সেরা হতে চায়। আমি তাদেরকেই চাইব, যারা বিশ্বকাপ জিততে চায়।’