বেবি ওয়াকার ব্যবহারে সচেতনতা সমাবেশ

ছোট্ট শিশুকে বেবি ওয়াকার কিনে দিয়ে বাবা-মা ভাবছেন বাবুটা তাড়াতাড়ি দাঁড়ানো আর হাঁটা শিখে যাবে। কিন্তু গবেষকরা বলছেন উল্টো কথা। এই বেবি ওয়াকার ব্যবহারকারী শিশু হাঁটা শেখে দেরিতে। গবেষকরা দেখেছেন এতে শিশুর দৈহিক ভারসাম্য, বিশেষ করে মেরুদণ্ডের ভারসাম্য হতে দেরি হয়। বিভিন্ন দেশ বেবি ওয়াকার উৎপাদন, বিপণন এমনকি সংরক্ষণ পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে।

গত ৫ ডিসেম্বর বিকেলে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে ‘বেবি ওয়াকার ব্যবহার, শিশুর জন্য ক্ষতিকর’ শীর্ষক সচেতনতা সমাবেশ হয়েছে। ‘শিশুর জন্য সুস্থতা’ এ সমাবেশের আয়োজন করেন। এতে সহায়তা করেন বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ইনস্টিটিউট ও ফ্রেন্ডস প্লাস।

অনুষ্ঠানে টিআইবির সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। উদ্যোক্তা ও সাবেক গণমাধ্যমকর্মী মেহেদী মাসুদ, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর মহাপরিচালক মনীরা সুলতানা, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ফারিয়া তাজরিন ও রাফিয়া জাহান বেবি ওয়াকার ব্যবহারে তাদের বাচ্চাদের দুর্ঘটনার কথা বর্ণনা করেন।

অধ্যাপক ডা. সাকিল আহম্মদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হক, শিশু সার্জারির অধ্যাপক ডা. আব্দুল হানিফ টাবলু ও অধ্যাপক ডা. কবিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ এবং অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি