তফসিলের আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত চায় জামায়াত ইসলাম 

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলাম। 
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘন্টাব্যাপী বৈঠক শেষে দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষ একটি অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য এবং নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে। রমজানের আগেই নির্বাচন আয়োজনের যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তার জন্য তফসিল ঘোষণার সময় এখন প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছে। আমরা কমিশনের কাছে সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানতে এসেছি।

তিনি বলেন, বৈঠকে ভোটকেন্দ্রে সেনাবাহিনী, বিজিবি মোতায়েন, মাঠ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান, প্রবাসী ভোটারদের নিবন্ধন জটিলতা এবং ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের মতো বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। 

অধ্যাপক পরোয়ার অভিযোগ করেন, বর্তমান প্রশাসনিক পরিবেশ এখনও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নয়। তফসিল ঘোষণার পর কোনো কর্মকর্তা পক্ষপাতমূলক আচরণ করলে তারা নির্বাচন কমিশনকে সুনির্দিষ্টভাবে জানাবেন আর কমিশন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

পরোয়ার আরও জানান, ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উনারা বলেছেন, এটা একটা কস্টলি ইস্যু। এ ব্যাপারে সরকারের প্রচুর অর্থ বিভিন্ন কাজে ব্যয় হয়। আমরা বলেছিলাম যে একটা জাতীয় নিরপেক্ষ নির্বাচন গণতন্ত্রের দেশের শান্তি শৃঙ্খলা নিরাপত্তা এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু হতে পারে না। এক্ষেত্রে অর্থ ব্যয় করা প্রয়োজন। অনেক ডোনার এজেন্সি ডোনার কান্ট্রির কাছে সহযোগিতা চাওয়া যায়। 

দেশের আইন-শৃঙ্খলার  গুরুতর অবনতি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা দেখছি একটা দলের সবার উপরে অন্য দলের হামলা। এমনকি  নারীরাও তাদের ভোটের কাজে, গণসংযোগে গিয়ে নির্যাতিত নিপীড়িত হচ্ছেন। এইসব পরিস্থিতি  নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করেছি। এখনই সিরিয়াস না হলে তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন কতটা সুষ্ঠ হবে কি কি আশঙ্কা আছে। উনারা এই চ্যালেঞ্জ কিভাবে ফেস করবেন সে ব্যাপারে উনাদের কি পদক্ষেপ  নিচ্ছেন, সেগুলো বুঝবার জন্যই মূলত এই বৈঠক হয়েছে।