যেদিন গোল করেও কেঁদেছিলেন নেইমার

নেইমার জুনিয়র ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ব্রাজিরের স্কোয়াডে থাকবেন কিনা সেটি সময়ই বলে দেবে। যদি নেইমার বিশ্বকাপে সেলেসাওদের স্কোয়াডে না থাকেন তবে বয়স বিবেচনায় ২০২২ আসরই তার শেষ হয়ে থাকবে বিশ্ব মঞ্চে। আর বিশ্বকাপের মঞ্চে নেইমার ২০২২'র স্মৃতিটা ভুলে থাকতেই চাইবেন।

সেই দিনটি ছিল ৯ ডিসেম্বর, ২০২২ কাতারের এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়া। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ম্যাচটি গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয়। ফলে খেলা গড়ার অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের যোগকরা সময়ে (১০৫+১) গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন নেইমার। ১১৭ মিনিটে ব্রুনো পেটকোভিচের গোলে সমতায় ফেরে ক্রোয়েশিয়া। ১-১ সমতায় শেষ হওয়ায় খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে।

সেখানে ক্রোয়াটরা ম্যাচটা জেতে ৪-২ ব্যবধানে। টাইব্রেকারে নেইমার শট নেওয়ার আগেই ফলাফল হয়ে যায়। ম্যাচ শেষে মাঠেই অঝোরে কাঁদেন নেইমার। তাকে সান্তনা দেন সতীর্থরা।

সেই ম্যাচে নেইমার কেন টাইব্রেকারের সময় ব্রাজিলের প্রথম শটটি নেননি। তাই নিয়ে তৈরী হয়েছিল তর্ক-বিতর্ক। পরে অবশ্য তখনকার কোচ জানিয়েছিলেন, নেইমারের জন্য পঞ্চম শট রাখা হয়েছিল।তবে ব্রাজিল তাদের পঞ্চম শট নেওয়ার আগেই ম্যাচের ফয়সালা হয়ে যায়।

ক্রোয়েশিয়ার কাছে হারের পর নেইমার বলেছিলেন, 'ম্যাচ শেষে আমার খুব বাজে লেগেছে। যেসব চলছে, এটা মেনে নেওয়া খুব কঠিন। আমার কাছে এটাকে দুঃস্বপ্ন মনে হয়। আমি তো বিশ্বাসই করতে পারছি না। এই হার অনেক দিন কষ্ট দেবে।'

২০১৪ বিশ্বকাপে ইনজুরিতে পড়ে কোয়ার্টার ফাইনালের পর আর খেলা হয়নি নেইমারের। দল সেমিফাইনালে হেরেছিল। ২০১৮ তে কোয়ার্টার ফাইনালেই বাদ পড়েছিল বেলজিয়ামের কাছে হেরে। এরপর ২০২২ এর হারের পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি নেইমার।