তরুণ দুই তুর্কির জমজমাট ব্যাটিং যুব এশিয়া কাপে

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে আজ শুক্রবার নিজ নিজ ম্যাচে বড় জয় পেয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। দুই দলের বড় জয়েই মূল ভূমিকা রেখেছেন দুই ওপেনার। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচে ভারত তোলে ৬ উইকেটে ৪৩৩ রান। যা অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান, ভারতের সর্বোচ্চ। জবাবে আমিরাত করে ৭ উইকেটে ১৯৯ রান। ২৩৪ রানের জয় পায় ভারত। পাকিস্তান মালয়েশিয়ার বিপক্ষে করে ৩ উইকেটে ৩৪৫ রান। জবাব দিতে নেমে ৪৮ রানে গুটিয়ে যায় মালয়েশিয়া। দলটির কেউই ইনিংসে দুই অঙ্কের ঘরে রান করতে পারেননি। পাকিস্তান জয় পায় ২৯৭ রানে। যা অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডেতে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড।

ভারতের কিশোর ব্যাটিং সেনসেশন বৈভব সুর্যবংশী তার দুরন্ত ফর্ম ধরে রেখেছেন। দুবাইয়ের আইসিসি একাডেমি গ্রাউন্ডে আরব আমিরাতের বিপক্ষে মাত্র ৫৬ বলেই তুলে নেন সেঞ্চুরি। ২০২৫ সালে ধারাবাহিকভাবে রান করে যাওয়া বাঁহাতি এই ব্যাটার ইনিংসে ৯ চার ও ১৪ ছক্কা হাঁকান। মাত্র ৩০ বলে ছক্কায় পঞ্চাশ পূর্ণ করেন সুর্যবংশী। ৮৫ রানে থাকাকালীন লং–অফে উদ্দিশ সুরিকে ছক্কা মারতে গিয়ে জীবনও পান। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি। চলতি বছরে সূর্যবংশী সেঞ্চুরি করেলেন চারটি। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আইপিএলে মাত্র ৩৮ বলে ১০১ রান করেছিলেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপে আরব আমিরাতের বিপক্ষেই করেছিলেন ৪২ বলে ১৪৪ রান। গেল ২ ডিসেম্বর সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফিতে ৬১ বলে করেন ১০৮।

সূর্যবংশী আউট হওয়ার পর আরন জর্জ ৬৯ ও ভিহান মালহোত্রা ৬৯ রান করেন। ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন কুন্ডু। আরব আমিরাত ১৯৯ করে দশম ব্যাটসম্যান উদিশ সুরির অপরাজিত ৭৮ রানে।

পাকিস্তানের মোট রানের প্রায় ৫২ শতাংশ করেছেন ওপেনার সামির মিনহাস। ১৪৮ বলে ১৭৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। মিনহাসের ইনিংসে ছিল ১১ চার ও ৮ ছক্কা। এছাড়া পাকিস্তানের আহমেদ হুসেইন করেন ১৩২ রান। তার ১১৪ বলের ইনিংসে ছিল ৮ চার ও ২ ছক্কা।মালয়েশিয়ার হয়ে ইনিংস সর্বোচ্চ ৯ রান আসে দেয়াজ পাত্র ও মুহাম্মদ আকরামের ব্যাট থেকে। পাকিস্তানের আলি রাজা ও মোহাম্মদ সায়াম ৩টি করে উইকেট নেন।