প্রাণঘাতী সংঘর্ষের জেরে সীমান্ত বন্ধ করলো কম্বোডিয়া

প্রাণঘাতী সংঘর্ষ চলার মধ্যেই থাইল্যান্ডের সঙ্গে সব সীমান্ত পারাপার বন্ধ করে দিয়েছে কম্বোডিয়া। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দেশটির কর্মকর্তারা জানান, কয়েক দিনের সহিংসতায় এখন পর্যন্ত অন্তত পঁচিশ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে চারজন থাই সেনাসদস্য রয়েছেন।

থাইল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তির দাবি নাকচ করার পরই এই সিদ্ধান্ত নেয় কম্বোডিয়া। দীর্ঘদিনের এই সহিংসতার মূল কারণ দুই দেশের মধ্যে প্রায় আটশ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের ঔপনিবেশিক আমলের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে বিরোধ। এতে দুই দেশের প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

থাই প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল বলেছেন, কোনো যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়নি এবং বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাতাফন নার্কফানিতও জানান, কম্বোডিয়া স্পষ্টভাবে সব ধরনের শত্রুতা বন্ধ না করা পর্যন্ত অভিযান থামানো হবে না।

এদিকে আসিয়ানের বর্তমান চেয়ার ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম দুই দেশকে সীমান্তে সংঘর্ষ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণে একটি আসিয়ান পর্যবেক্ষক দল মোতায়েনের প্রস্তাব দেন। কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান।

তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করলেও যে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া সব ধরনের গুলি বিনিময় বন্ধে এবং আগের শান্তিচুক্তিতে ফিরে যেতে সম্মত হয়েছে, ব্যাংকক জানিয়েছে—এ ধরনের কোনো সমঝোতা নিয়ে আলোচনা হয়নি।