লুট হওয়া সব অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত রাখার দাবিতে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে হাইকোর্টে রিট মামলা দায়েরের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান জনস্বার্থে এ নোটিশ দেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক ও র্যাব মহাপরিচালককে নোটিশটি পাঠানো হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন কমিশন ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ একইসঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ গণভোটের ঘোষণা দিলেও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় নির্বাচনী মাঠ এখন ‘বারুদের স্তূপে’ পরিণত হয়েছে। ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনা তুলে ধরে বলা হয়, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না করে নির্বাচন আয়োজনে প্রার্থীদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়বে, যা সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদের ‘জীবনের অধিকার’ লঙ্ঘন করবে।
নোটিশে আরো বলা হয়, জুলাই সনদ গণভোট জাতীয় ঐকমত্যের বিষয় হওয়ায় এতে সহিংস প্রতিযোগিতা কাম্য নয়। কিন্তু সংসদ নির্বাচন তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক প্রক্রিয়া। তাই অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানির মধ্যে এ নির্বাচন আয়োজন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে।
এমতাবস্থায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জুলাই সনদ গণভোট যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হোক; কিন্তু লুট হওয়া সব অস্ত্র উদ্ধার ও নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত রাখার দাবি জানানো হয়েছে নোটিশে।