চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা অন্য দেশের জাহাজ আটকানো আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। এ মন্তব্য আসে ভেনেজুয়েলার উপকূলের কাছে চীনগামী একটি তেলবাহী জাহাজ আটক হওয়ার পর।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদন অনুসারে, সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, ভেনেজুয়েলার অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তিনি আরও বলেন, চীন সব ধরনের একতরফা ও অবৈধ নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে।
ভেনেজুয়েলার উপকূলের আন্তর্জাতিক জলসীমায় শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড দ্বিতীয় একটি তেল ট্যাংকার আটক করে। কয়েক দিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় প্রবেশ ও প্রস্থানকারী নিষেধাজ্ঞাভুক্ত সব তেল ট্যাংকারের ওপর ‘অবরোধ’ ঘোষণা করেছিলেন।
‘সেঞ্চুরিজ’ নামের ট্যাংকারটি ভেনেজুয়েলায় ভুয়া পরিচয় ‘ক্র্যাগ’ হিসেবে তেল বোঝাই করেছিল। এতে প্রায় ১৮ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ছিল, যা চীনের উদ্দেশ্যে পাঠানো হচ্ছিল। এই তেল কিনেছিল সাটাউ তিজানা অয়েল ট্রেডিং, যা ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি পিডিভিএসএর মাধ্যমে চীনের রিফাইনারিগুলোর কাছে তেল বিক্রির সঙ্গে যুক্ত।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জানিয়েছেন, জাহাজটি ‘ভুয়া পতাকা বহনকারী’ এবং নিষেধাজ্ঞাভুক্ত তেল বহন করছিল। অন্যদিকে, ভেনেজুয়েলার সরকার এটিকে ‘আন্তর্জাতিক জলদস্যুতা’ বলে অভিহিত করেছে।
চীন ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেলের প্রধান ক্রেতা, দেশটির মোট তেল আমদানি প্রায় ৪ শতাংশ আসে ভেনেজুয়েলা থেকে।