এইচএসবিসি

চাকরিচ্যুতদের ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি 

বাংলাদেশে এইচএসবিসির (দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন) ১০০ জন চাকরিচ্যুত ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী তাদের ন্যায্য পাওনা ফিরে পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। গতকাল সোমবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে তাদের পক্ষে এ দাবি জানান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোকাররামুস শাকলান। তিনি অভিযোগ করেন, এইচএসবিসি চাকরিচ্যুতদের বিষয়ে বাংলাদেশের শ্রম আইনের বিধান অনুসরণ না করে তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘এইচএসবিসি বাংলাদেশে তাদের “ইন্টারন্যাশনাল ওয়েলথ অ্যান্ড প্রিমিয়ার ব্যাংকিং” ব্যবসা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্যবসায়িক পুনর্গঠন কোনো অবৈধ কাজ নয়। কিন্তু যে প্রক্রিয়ায় এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও দুঃখজনক।’

আইনজীবী বলেন, ‘কোনো ধরনের আলোচনা বা স্বচ্ছতা ছাড়াই কর্মচারীদের ছাঁটাইয়ের খবর জানানো হয়েছে। কিন্তু ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে কোনো মানদ- অনুসরণ করা হয়েছে বা ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের কাঠামো কী, তা প্রকাশ করা হয়নি।’

অ্যাডভোকেট মোকাররামুস শাকলান বলেন, ‘পাঁচ মাস ধরে একাধিকবার লিখিত অনুরোধ সত্ত্বেও এইচএসবিসি ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের সঙ্গে অর্থবহ কোনো আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তারা তাদের হিসাবের পদ্ধতি প্রকাশ করেনি এবং কর্মচারীদের সঙ্গে কোনো ধরনের সংলাপে বসতে রাজি হয়নি।’

আইনজীবী আরও বলেন, ‘এইচএসবিসি বাংলাদেশে এখনো অনেক লাভ করছে। ২০২৪ সালে তারা ১ হাজার ৮৬ কোটি টাকা লাভ করেছে। কিন্তু লাভ থাকা সত্ত্বেও তারা কর্মীদের ন্যায্য পাওনা দিচ্ছে না। ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে তারা ১৪৩ কোটি টাকা (কর-পূর্ব) মুনাফা অর্জন করেছে।’